অডিটে নেই দুর্নীতির প্রমান! রাম মন্দির ট্রাস্টে কোনও গন্ডগোল নেই সাফ করল কর্তৃপক্ষ - 24 Ghanta Bangla News
Home

অডিটে নেই দুর্নীতির প্রমান! রাম মন্দির ট্রাস্টে কোনও গন্ডগোল নেই সাফ করল কর্তৃপক্ষ

Spread the love

অযোধ্যা: অযোধ্যার রাম মন্দির ট্রাস্টের তহবিল নিয়ে চলা বিতর্কের অবসান ঘটতে চলেছে। (Ram Mandir)স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের অডিট রিপোর্টে স্পষ্ট হয়েছে যে ভক্তদের দান করা প্রায়…

অযোধ্যা: অযোধ্যার রাম মন্দির ট্রাস্টের তহবিল নিয়ে চলা বিতর্কের অবসান ঘটতে চলেছে। (Ram Mandir)স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের অডিট রিপোর্টে স্পষ্ট হয়েছে যে ভক্তদের দান করা প্রায় ৩,৩০০ কোটি টাকার পুরো হিসাব ঠিকঠাক রয়েছে। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, বড় আকারের দুর্নীতির অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। অডিটর মেসার্স ভি শঙ্কর আইয়ার অ্যান্ড কোম্পানি ট্রাস্টের মূল তহবিল পরীক্ষা করে নিশ্চিত করেছে যে সব অর্থ সঠিকভাবে হিসাবভুক্ত।

ট্রাস্টের প্রধান ব্যয়গুলোও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় হয়েছে। মন্দির নির্মাণে প্রায় ১,৮০০ কোটি টাকা এবং জমি অধিগ্রহণে ৪০০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। (Ram Mandir)সব পেমেন্ট সরাসরি ব্যাংক-টু-ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে করা হয়েছে। কোনো নগদ লেনদেন হয়নি। সংলগ্ন মন্দির জমির জন্যও একই নিয়ম মেনে চলা হয়েছে। এই স্বচ্ছতা অডিট রিপোর্টে উঠে এসেছে।অভিযোগ উঠেছিল নগদ দানের হিসাবে চুরির।

আরও দেখুনঃ ই-ভিসাধারী বিদেশি পর্যটকদের প্রবেশ সহজ করতে নতুন ১১ টি বন্দরকে অনুমোদন দিল মোদী সরকার

কিন্তু অডিট ও তদন্তে দেখা গেছে, চুরি সীমিত ছিল বাইরের কর্মীদের ম্যানুয়াল ক্যাশ সর্টিং প্রক্রিয়ায়। ট্রাস্টের মূল কার্যক্রম বা বড় তহবিলের সঙ্গে এর কোনো যোগ নেই। কিছু বাইরের কর্মী নগদ গোনার সময় অনিয়ম করেছিলেন, যা পুলিশ তদন্তে ধরা পড়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের গ্রেফতার করা হয়েছে। ট্রাস্টের কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা এতে জড়িত নয়।ভক্তদের আস্থাও অটুট রয়েছে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে (Ram Mandir)হুন্ডির সংগ্রহ মাসে গড়ে প্রায় ৫ কোটি টাকা স্থির রয়েছে। কোনো বড় ধরনের পতন দেখা যায়নি। দানের পরিমাণ স্বাভাবিক গতিতে চলছে, যা প্রমাণ করে যে ভক্তরা ট্রাস্টের ওপর বিশ্বাস হারাননি।এই অডিট রিপোর্ট বিতর্কের শোরগোলকে তথ্যের আলোয় নিয়ে এসেছে। আগে বড় আকারের দুর্নীতির কথা বলা হলেও এখন স্পষ্ট যে মূল তহবিল সুরক্ষিত।

আরও দেখুনঃ হংকং-প্যারিস, নিউ ইয়র্ককে পিছনে ফেলে সময়ানুবর্তীতায় ইতিহাস গড়ল দিল্লি মেট্রো

স্বাধীন অডিটরদের পরীক্ষায় কোনো বড় অনিয়ম পাওয়া যায়নি। জমি কেনা এবং নির্মাণ ব্যয় সবই ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে হয়েছে, যা নথিভুক্ত।রাম মন্দির নির্মাণে ভক্তদের দান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই দানের হিসাব স্বচ্ছ রাখা ট্রাস্টের দায়িত্ব। এবারের অডিট সেই দায়িত্ব পালনের প্রমাণ দিয়েছে। ছোটখাটো নগদ গোনার অনিয়ম থাকলেও তা মূল ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করেনি। ট্রাস্ট ইতিমধ্যে প্রক্রিয়া আরও কঠোর করার পদক্ষেপ নিয়েছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *