Fuel Warning: রিজার্ভে তেল! তবুও ড্রাইভ করছেন? নিজের জন্য এই বিপদ ডেকে আনছেন না তো? | Fuel Warning Light On? Why Driving on Reserve Fuel Can Damage Your Car
রিজার্ভে তেল Image Credit: প্রতীকী চিত্র
নয়া দিল্লি: গাড়িতে ফুয়েল লাইট বা জ্বালানি সতর্কতামূলক আলো জ্বলে ওঠার পর গাড়ি চালানো অনেকের অভ্যাস হলেও, এই ছোট ভুলটি ভবিষ্যতে বড় ধরনের যন্ত্রাংশের ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। অনেকেই রিজার্ভ ফুয়েলকে প্রতিদিনের ব্যবহারের জ্বালানি মনে করেন, তবে এটি মূলত জরুরি অবস্থায় নিকটস্থ পেট্রোল পাম্প পর্যন্ত পৌঁছানোর জন্য রাখা হয়।
জ্বালানি স্তর একদম কমে গেলে গাড়ির ফুয়েল পাম্পের সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়। সাধারণত ট্যাংকে থাকা জ্বালানিই ফুয়েল পাম্পকে ঠান্ডা ও পিচ্ছিল রাখে। তেলের পরিমাণ কমে গেলে পাম্প বাতাসের সংস্পর্শে আসে, ফলে অতিরিক্ত গরম হয়ে খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়া, প্রতিটি তেলের ট্যাংকের নিচে জমা হওয়া নোংরা, মরিচা বা পলি রিজার্ভ ফুয়েল ব্যবহারের সময় পাম্পের মাধ্যমে ফুয়েল ফিল্টার ও ইনজেক্টরে চলে যায়। এতে ইঞ্জিন বিকল হওয়া এবং জ্বালানি কর্মক্ষমতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
জ্বালানি সরবরাহ অনিয়মিত হলে ইঞ্জিনের স্বাভাবিক ক্ষমতা কমে যায়, গাড়ি চলার সময়ে ঝাঁকুনি বা মিসফায়ারিং হতে পারে। এমনকি হঠাৎ ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে গেলে স্টিয়ারিং বা ব্রেক শক্ত হয়ে ব্যস্ত রাস্তায় বা হাইওয়েতে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাছাড়া ফুয়েল গেজের হিসেব সবসময় শতভাগ নিখুঁত নাও হতে পারে, ফলে প্রদর্শিত তথ্যের চেয়ে বাস্তবে তেল কম থাকার সম্ভাবনা থাকে।
গাড়ির ইঞ্জিন ও যন্ত্রাংশ দীর্ঘকাল ভালো রাখতে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদ এড়াতে ট্যাংকে সবসময় অন্তত এক-চতুর্থাংশ জ্বালানি বজায় রাখা জরুরি। অল্প তেলের ভরসায় না চালিয়ে সময়মতো রিফুয়েলিংয়ের অভ্যাসই গাড়ি ও চালক—উভয়ের নিরাপত্তার জন্য শ্রেয়।