গানে, কবিতায় রবীন্দ্র উপলব্ধির বহিঃপ্রকাশ
বিপ্লবকুমার ঘোষ
আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু। গীতাঞ্জলিতে নিজেই লিখেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ‘ওগো আমার এই জীবনের শেষ পরিপূর্ণতা— মরণ, আমার মরণ, তুমি কও আমারে কথা!’ এমন অনুভবের পরেও তিনিই বলছেন, ‘আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে, তবুও শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে…।’ রবীন্দ্রনাথের গান অথবা কবিতায় যেন উপনিষদের প্রকৃত নির্যাস লুকিয়ে রয়েছে। ‘মরণ রে তুঁহুঁ মম শ্যামসমান/ মেঘবরণ তুঝ, মেঘজটাজূট/ রক্ত কমলকর, রক্ত অধরপুট/ তাপবিমোচন করুণ কোর তব/ মৃত্যু অমৃত করে দান।’
মৃত্যু নিয়ে উপলব্ধি রবীন্দ্রনাথ তাঁর অসংখ্য লেখাতে বিভিন্ন সময়ে ব্যক্ত করেছেন। আজ, ৮ অগস্ট, জয় হিন্দ অডিটোরিয়ামে সেই উপলব্ধির বহিঃপ্রকাশ ঘটবে গানে, কথায় ও কবিতায়। ‘কে বলে গো সেই প্রভাতে নেই আমি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা ও পরিচালনায় রয়েছেন জয় দত্তগুপ্ত ও ঋতুপর্ণা সিংহ রায়। নতুন বৈচিত্রের এই অনুষ্ঠানের মূল দুই শিল্পী হলেন লোপামুদ্রা মিত্র ও মনোময় ভট্টাচার্য। অন্যান্যদের মধ্যে রয়েছেন মৌনিতা চট্টোপাধ্যায়, পার্থসারথী মুখোপাধ্যায়, সৌমী মুখোপাধ্যায়।
বিশেষ এই অনুষ্ঠানের জন্য মনোময় ভট্টাচার্যের নির্বাচনে রয়েছে, ‘তিমির অবগুন্ঠন’, ‘যেতে যেতে একলা পথে’, ‘সঘন গহন রাত্রি’ প্রমুখ গান। আর লোপামুদ্রার কণ্ঠে থাকছে ‘দিনগুলি মোর সোনার খাঁচায় রইল না’, ‘যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন’ প্রভৃতি গানগুলি।