কথায় কথায় রাগ? মুক্তো ধারণ করলে কি কমবে মাথা গরম? Ei Samay
বর্তমানের ব্যস্ত জীবনযাত্রায় মানসিক চাপ, উদ্বেগ এবং অল্পতেই রেগে যাওয়ার প্রবণতা অনেকের মধ্যেই বেড়েছে। সামান্য বিষয়েও মেজাজ হারিয়ে ফেললে সম্পর্ক, কর্মক্ষেত্র- সবই ক্ষতির মুখে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত রাগ ও মানসিক অস্থিরতা শরীরের উপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, মানুষের মন, আবেগ এবং মানসিক স্থিতির সঙ্গে চাঁদের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
জ্যোতিষ মতে, জন্মছকে চাঁদ দুর্বল হলে মন অশান্ত, অস্থির ও উদ্বিগ্ন থাকতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে মুক্তো ধারণ করা অনেকের জন্য উপকারী হতে পারে বলেও মনে করা হয়। তবে তা পরার আগে অবশ্যই অভিজ্ঞ জ্যোতিষীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।
কেন মুক্তোকে বিশেষ রত্ন বলা হয়?
বৈদিক জ্যোতিষে মুক্তোকে চাঁদের রত্ন হিসেবে গণ্য করা হয়। চাঁদ শান্তি, কোমলতা ও মানসিক স্থিরতার প্রতীক। প্রচলিত বিশ্বাস, যেমন জল আগুনের উত্তাপ কমিয়ে দেয়, তেমনই মুক্তো ধারণ করলে ধীরে ধীরে রাগ নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে এবং মন শান্ত হতে শুরু করে।
যাঁরা অতিরিক্ত চিন্তা করেন, ছোটখাটো বিষয়েও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন বা সহজেই মানসিক চাপ অনুভব করেন, তাঁদের জন্য মুক্তোকে উপকারী বলে মনে করা হয়।
মুক্তো ধারণের সম্ভাব্য উপকারিতা
জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, মুক্তো শুধু মানসিক শান্তিই দেয় না, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাও উন্নত করতে সাহায্য করে। যাঁদের রাতে ঘুমের সমস্যা হয় বা দুঃস্বপ্নের কারণে ঘুম ভেঙে যায়, তাঁদের ক্ষেত্রেও এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্বাস।
এছাড়া মুক্তো মনকে শান্ত ও সংযত করতে সাহায্য করে। ফলে পারিবারিক বা ব্যক্তিগত সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি কমতে পারে। কর্মক্ষেত্রেও আপনার কথা ও মতামত অন্যরা গুরুত্ব দিয়ে শুনতে পারেন।