ঢাকায় রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠান বানচাল, বাতিল জুলাই বিজয়ের বহু কর্মসূচি
কী হয়েছিল অনুষ্ঠানে?
জুলাই আন্দোলনের দু’বছর পূর্তির অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রচারিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রকের ডকুমেন্টারিতে জুলাই আন্দোলনের ধারাবাহিকতা সঠিক ভাবে তুলে না ধরার অভিযোগ তোলেন এনসিপি-র নেতারা। তা নিয়ে তীব্র হইচই ও বাগ্বিতণ্ডার পরে এনসিপি নেতারা অনুষ্ঠান বয়কট করেন। হট্টগোলের সময় নিরাপত্তার অভাবে আমন্ত্রিত কূটনীতিক ও বিশিষ্ট অতিথিদের মুখচোখে আতঙ্ক নিয়ে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়। ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা’ শিরোনামে এই অনুষ্ঠান হয়েছিল ঢাকার একটি আন্তজার্তিক সম্মেলন কেন্দ্রে। পরিস্থিতি শান্ত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করলেও বিক্ষোভ থামেনি। এক পর্যায়ে রাষ্ট্রপতির প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বিশৃঙ্খলা দমনে পদক্ষেপ করতে অনুমতি চাইতেও দেখা গিয়েছে।
এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব মাহিন সরকারের অভিযোগ, ডকুমেন্টারিতে ‘এক দফা’ আন্দোলনের ঘোষক হিসেবে তারেক রহমানকে উপস্থাপনের প্রতিবাদ করায় প্রধানমন্ত্রীর বাহিনী তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে ও রাষ্ট্রপতির সামনেই তাকে মারধর করেছে। তাঁর কথা্য়, নাহিদ ইসলাম (এনসিপি আহবায়ক) নিজের মৃত্যু পরোয়ানায় সই করে এক দফার ঘোষণা দিলেন, তিনি ইতিহাসে নেই। আসিফ মাহমুদ ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ ঘোষণা করলেন, তিনিও ইতিহাসে নেই।
বেশ কিছুক্ষণ হট্টগোল চলার পরে এনসিপির মহাসচিব আখতার হোসেন মঞ্চে এসে বলেন, ‘আমি জুলাই যোদ্ধাদের একজন হয়ে এবং আমার দলের এক জন প্রতিনিধি হিসেবে এই প্রোগ্রামের সাফল্য কামনা করি। কিন্তু আমার পক্ষে এই প্রোগ্রামে থাকা সম্ভব নয়।’ তার পরেই রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি দলবল-সহ অনুষ্ঠান বয়কট করেন।