Centre-Meta Meeting: ক্ষমা চাইলেন মার্ক জাকারবার্গ, প্রধানমন্ত্রী মোদীর ভিডিয়ো ডিলিট নিয়ে কী বলল Meta? | Centre Held Meeting with Meta over PM Modi’s Video Delete, Child Video, Sources Says Mark Zuckerberg Apologizes
ক্ষমা চাইলেন মার্ক জাকারবার্গ।Image Credit: PTI
নয়া দিল্লি: ফেসবুক থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদী(PM Narendra Modi)-র ভিডিয়ো কিছুক্ষণের জন্য সরানো নিয়ে তলব মেটা (Meta)-কে। বুধবার মেটার প্রতিনিধিদের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। সেখানেই প্রধানমন্ত্রীর ভিডিয়ো সরানো নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। একইসঙ্গে শিশুদের উপরে নির্যাতনের ভিডিয়ো এবং এই সংক্রান্ত কনটেন্ট নিয়ন্ত্রিত করা নিয়েও সতর্ক করা হয় মেটা সংস্থাকে। সূত্রের খবর, মেটা (Meta) প্ল্যাটফর্মে শিশুদের যৌন শোষণ ও ডিপফেক কনটেন্ট (Deepfake) নিয়ে মার্ক ক্ষমা চেয়েছেন মার্ক জাকারবার্গ (Mark Zuckerberg)।
জানা গিয়েছে, মেটা (Meta)-র প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রায় ৪৫ মিনিট বৈঠক হয় কেন্দ্রের। মেটার তরফে উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট নিল পটস, সিনিয়র ডিরেক্টর রাফায়েল ফ্রান্কেল, আমান জৈন ও প্রিয়া শ্রীনিবাসন। সরকারের তরফে উপস্থিত ছিলেন তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের সেক্রেটারি এস কৃষ্ণন।
বৈঠকে কনটেন্ট মডারেশন নিয়ে নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বাড়ানোর কথা বলা হয়। সূত্রের খবর, আলোচনার মুখ্য বস্তু ছিল প্রধানমন্ত্রী মোদীর জেন-জ়ি-দের উদ্দেশ্যে যে ভিডিয়ো পোস্ট করেছিলেন, তা কিছুক্ষণের জন্য ডিলিট হয়ে যাওয়া। সরকারের শর্ত মেনে না চলা, একইসঙ্গে মেটা প্ল্যাটফর্মে আপত্তিজনক কনটেন্ট প্রদর্শন নিয়েও কেন্দ্রীয় সরকার উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
আজকের বৈঠকে মেটা আধিকারিকরা কেন্দ্রের কাছে ব্যাখ্যা দেয় যে কোন ভুলের কারণে প্রধানমন্ত্রী মোদীর ভিডিয়ো সরানো হয়েছিল সাময়িকভাবে। এর জবাবে কেন্দ্রের তরফে কঠোরভাবে বলা হয় আইন-নিয়ম মেনে চলতে। বাক স্বাধীনতা হরণ করা হচ্ছে না, তবে সমস্ত সোশ্য়াল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মকে আইন মেনে চলতে হবে।
সূত্রের খবর, মেটার আধিকারিকরা জানিয়েছেন, তাদের অভ্যন্তরীণ নিয়ম ও ফ্যাক্ট চেকিং মেকানিজম আগে থেকেই রয়েছে।
এর আগে তথ্য প্রযুক্তির সংসদীয় স্ট্যান্ডি কমিটি প্রধানমন্ত্রীর ভিডিয়ো সাময়িক সরানো নিয়ে মেটা-র সিইও মার্ক জাকারবার্গের কাছ থেকে তিনদিনের মধ্যে ক্ষমা দাবি করে। যদি তিনদিনের মধ্যে ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা ক্ষমা না চান, তাহলে আইনি সুরক্ষা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। এই আইনি সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৭৯ ধারায় মেটা-র মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মকে থার্ড পার্টি কনটেন্টের ক্ষেত্রে দায়বদ্ধতা থেকে রক্ষা করে।
প্রসঙ্গত, ইন্সটাগ্রামে পেইড বিজ্ঞাপনে শিশুদের যৌন শোষণ ও নিপীড়ন নিয়ে ভিডিয়ো দেখানো নিয়ে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের নজরদারিতে এসেছে মেটা। সরকারের তরফে গত মাসে এই ইস্যুতে নোটিসও পাঠানো হয়।