যুদ্ধবিরতি চেয়েছিল পাকিস্তান, ঝুলিয়ে রাখে ভারত! ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে প্রাক্তন সিডিএস - 24 Ghanta Bangla News
Home

যুদ্ধবিরতি চেয়েছিল পাকিস্তান, ঝুলিয়ে রাখে ভারত! ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে প্রাক্তন সিডিএস

Spread the love

‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor) চলাকালীন পাকিস্তানের তরফে আসা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব ইচ্ছাকৃতভাবে ঝুলিয়ে রেখেছিল ভারত। কারণ, ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর পূর্বপরিকল্পিত সামরিক অভিযানের “অর্ধেকও তখনও সম্পন্ন হয়নি”।…

‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor) চলাকালীন পাকিস্তানের তরফে আসা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব ইচ্ছাকৃতভাবে ঝুলিয়ে রেখেছিল ভারত। কারণ, ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর পূর্বপরিকল্পিত সামরিক অভিযানের “অর্ধেকও তখনও সম্পন্ন হয়নি”। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন দেশের প্রাক্তন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (CDS) জেনারেল অনিল চৌহান। তিনি জানিয়েছেন, প্রথমবার যখন ইসলামাবাদ যুদ্ধবিরতির জন্য যোগাযোগ করে, তখন ভারত নিজেদের লক্ষ্য পূরণের জন্য সেই আর্জি সাময়িকভাবে এড়িয়ে গিয়েছিল।

সংবাদমাধ্যম ‘দ্য প্রিন্ট’-এর (ThePrint) ‘অফ দ্য কাফ’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেনারেল চৌহান জানান, ২০২৫ সালের ১০ মে সকালে ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশনস (DGMO) হটলাইনের মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ করে যুদ্ধবিরতির আর্জি জানিয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু নয়াদিল্লি ইচ্ছাকৃতভাবে ইসলামাবাদকে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষায় রেখেছিল, কারণ ভারতের পরিকল্পিত হামলার অর্ধেক তখনও বাকি ছিল। এই সংঘাতের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রাক্তন সিডিএস বলেন, “১০ মে আমার কাছে সবচেয়ে বড় আশ্চর্যের বিষয় ছিল পাকিস্তানের ফোন করে আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া। কারণ ঠিক একদিন আগেই, অর্থাৎ ৯ মে, তারা বড়াই করে বলেছিল যে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভারতকে উচিত শিক্ষা দেবে। অথচ মাত্র আট ঘণ্টার মধ্যেই তারা ফোন তুলে নেয়। তখন আমাদের পরিকল্পনার অর্ধেকও বাস্তবায়িত হয়নি।”

প্রাক্তন সিডিএস-এর মতে, যুদ্ধবিরতি নিয়ে চিন্তাভাবনা করার আগে ভারত নিজের সামরিক লক্ষ্য পূরণে বদ্ধপরিকর ছিল। পাকিস্তানের কোনো সামরিক ঘাঁটিতেই যে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর পৌঁছতে কোনো বাধা নেই, তা প্রমাণ করতে আরও কয়েক দফা হামলার ছক কষেছিল ভারত। তিনি জানান, ১০ মে সকালে পাকিস্তান যখন ডিজিএমও হটলাইনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে, তখনও ভারতীয় বাহিনীর অভিযান জারি ছিল। জেনারেল চৌহানের কথায়, ভারতের অন্যতম বড় সুবিধা ছিল যুদ্ধক্ষেত্রের স্বচ্ছতা, যা শত্রুপক্ষের থেকে অনেক উন্নত ছিল। ভারতীয় কমান্ডাররা পাকিস্তানি বাহিনীর তুলনায় অনেক দ্রুত পরিস্থিতির মূল্যায়ন করতে পেরেছিলেন। তিনি বলেন, “আমাদের হামলা কতটা সফল এবং পাকিস্তানের হামলায় কী প্রভাব পড়েছে, তা আমরা দ্রুত বুঝতে পারছিলাম। যুদ্ধ মানেই দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া, যাতে শত্রুপক্ষ সবসময় চাপে থাকে। আমরা সেটাই করতে পেরেছিলাম।”

প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ্য, গত বছরের ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে হওয়া এক মারাত্মক জঙ্গি হামলার কড়া জবাব দিতে ৭ মে ‘অপারেশন সিঁদুর’ শুরু করেছিল ভারত। ওই জঙ্গি হামলায় ২৬ জন সাধারণ নাগরিক প্রাণ হারিয়েছিলেন। ভারতের এই সামরিক অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় লস্কর-ই-তৈবা (LeT) এবং জইশ-ই-মহম্মদের (JeM) মতো জঙ্গি সংগঠনগুলির পরিকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করা। টানা চারদিন ধরে চলা এই তীব্র সামরিক সংঘাত শেষ পর্যন্ত ১০ মে ডিজএমও স্তরে সামরিক যোগাযোগের পর উভয় পক্ষের যুদ্ধবিরতি সম্মতির মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।

খাঁটি পনিরের নামে সস্তা তেলের ভেজাল! নিষিদ্ধ নন-ডেয়ারি পনির

জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *