অ্যাকশন মোডে কেজরি! E ২০র প্রতিবাদে মোদীর বাসভবনের দিকে মিছিল
নয়াদিল্লি: আম আদমি পার্টির জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)ফের অ্যাকশন মোডে। আজ দুপুরে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।…
নয়াদিল্লি: আম আদমি পার্টির জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)ফের অ্যাকশন মোডে। আজ দুপুরে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। ই২০ জ্বালানি নীতির বিরুদ্ধে এই পদযাত্রার মাধ্যমে তিনি দুই লাখেরও বেশি নাগরিকের স্বাক্ষরিত আবেদনপত্র হস্তান্তর করতে চান।
কেজরিওয়ালের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপে আমেরিকা থেকে ইথানল (Arvind Kejriwal)আমদানি করে দেশের সাধারণ মানুষের ওপর জোর করে চাপিয়ে দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের চাপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইথানল আমদানি করে দেশের জনগণের ওপর জোর করে চাপিয়ে দিচ্ছেন, এটা ঠিক নয়। এই বিষয়ে দুই লাখেরও বেশি মানুষ প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছেন। আমরা সেই চিঠিগুলো তাঁর হাতে তুলে দেব। আশা করি আমাদের আটকানো হবে না।”
আরও দেখুনঃ
শনিবার কনস্টিটিউশন ক্লাবে অনুষ্ঠিত জাতীয় টাউন হল মিটিংয়ে কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)ঘোষণা করেছিলেন যে মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় তিনি প্রায় একশো স্বেচ্ছাসেবক নিয়ে মিছিল শুরু করবেন। অনলাইন পিটিশনে দুই লাখের বেশি স্বাক্ষর জমা পড়েছে। তিনি বারবার জোর দিয়ে বলেছেন যে পেট্রোল পাম্পে বিশুদ্ধ পেট্রোল ও ই২০ উভয়ের বিকল্প রাখতে হবে, ই২০-এর দাম কম রাখতে হবে এবং সাধারণ পেট্রোলের দামও কমাতে হবে।
ই২০ মানে পেট্রোলে বিশ শতাংশ ইথানল মেশানো জ্বালানি। সরকারের দাবি, এতে কার্বন নিঃসরণ কমে, জ্বালানি নিরাপত্তা বাড়ে এবং কৃষকদের উপকার হয়। কিন্তু কেজরিওয়াল ও তাঁর সমর্থকরা বলছেন, পুরনো গাড়িগুলোর ইঞ্জিন ও জ্বালানি ব্যবস্থা এই মিশ্রণের জন্য তৈরি নয়। অনেক গাড়ি মালিক মাইলেজ কমে যাওয়া, ইঞ্জিনের সমস্যা ও মেরামত খরচ বাড়ার অভিযোগ করেছেন। কেজরিওয়াল গাড়ি নির্মাতা সংস্থাগুলোকে চিঠি লিখে জানতে চেয়েছিলেন যে ২০২৩-এর আগের গাড়িগুলোতে ই২০ নিরাপদ কি না।
আরও দেখুনঃ
তাঁর দাবি, অনেক কোম্পানি অফিসিয়ালি স্বীকার করেছে যে ঝুঁকি আছে, কিন্তু সরকারের চাপে তারা প্রকাশ্যে কথা বলছে না।সোমবার প্রেস কনফারেন্সে কেজরিওয়াল আরও স্পষ্ট করে বলেন যে গত মাসে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখে সাক্ষাৎ চেয়েছিলেন, কিন্তু কোনো জবাব আসেনি।
তাই এখন তিনি ব্যক্তিগতভাবে আবেদনপত্র পৌঁছে দিতে চান। তিনি বলেন, “লোকেরা গাড়িতে সমস্যা নিয়ে ভুগছে। তারপরও সরকার এগিয়ে যাচ্ছে। এর পেছনে লুকানো উদ্দেশ্য থাকতে পারে।” তাঁর অভিযোগ, ভারত আগামী পাঁচ বছরে আমেরিকা থেকে বিপুল পরিমাণ ইথানল কিনবে এবং সেই খরচ সাধারণ মানুষকেই বহন করতে হবে।
আরও দেখুনঃ