Shraavana Somvar Brata: শ্রাবণ মাসে সোমবারের ব্রতের সময় পিরিয়ডস হলে কী করবেন? জানুন পুজোর নিয়ম | Shraavana, Shraavana month 2026 start date and end date, Shraavana civil month - 24 Ghanta Bangla News
Home

Shraavana Somvar Brata: শ্রাবণ মাসে সোমবারের ব্রতের সময় পিরিয়ডস হলে কী করবেন? জানুন পুজোর নিয়ম | Shraavana, Shraavana month 2026 start date and end date, Shraavana civil month

Spread the love

শ্রাবণে শিবের আরাধনাImage Credit: Santosh Kumar/ht via Getty Images)

শ্রাবণ মাস, ভগবান শিবের আরাধনার জন্য অত্যন্ত পবিত্র বলে মনে করা হয়। এই পুরো মাস জুড়েই ভক্তরা মহাদেবের পুজো-অর্চনা করেন। কেউ-কেউ শ্রাবণ মাসের চারটি সোমবারে উপবাস (ব্রত) পালন করেন। অনেকে এই গোটা মাস জুড়ে নিরামিষ খান। তবে অনেক সময়ই ব্রত পালন চলাকালীন মহিলাদের মনে একটি সংশয় দেখা দেয়, তা হল উপবাসের দিনে হঠাৎ ঋতুস্রাব (পিরিয়ডস) শুরু হলে কী করা উচিত? ব্রত কি ছেড়ে দেওয়া উচিত, নাকি তা জারি রাখা যায়?

ধর্মীয় রীতি ও শাস্ত্রীয় অনুশাসন অনুযায়ী এই বিষয়ে বেশ কিছু দিক তুলে ধরা হয়েছে:

১. ঋতুস্রাব শুরু হলে কি ব্রত বা উপবাস ভাঙা উচিত?

ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, ব্রত পালন চলাকালীন হঠাৎ পিরিয়ডস শুরু হলে উপবাস ছেড়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই । ঋতুস্রাবকে ব্রত ভাঙার কারণ হিসেবে গণ্য করা হয় না। একজন নারী তাঁর শারীরিক সামর্থ্য ও স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে উপবাস বজায় রাখতে পারেন।

২) পুজো কীভাবে করবেন?

পারিবারিক বা প্রচলিত কিছু সামাজিক নিয়মের কারণে এই সময় সরাসরি প্রতিমা স্পর্শ বা প্রত্যক্ষ পূজা-অর্চনায় কিছু নিষেধাজ্ঞা থাকে, তবুও ভক্তি প্রকাশের পথ বন্ধ হয় না।

৩) মহাদেবকে জপ: সকালে স্নান করে পরিষ্কার বস্ত্র পরে শান্ত মনে শিবকে স্মরণ করা যায়।

মনে মনে ‘ওঁ নমঃ শিবায়’(Om Namah Shivaya) মন্ত্র জপ করা উচিত।

সুবিধামত মনে মনে শিব চালিসা বা শ্রাবণ সোমবার ব্রতকথা পাঠ বা শ্রবণ করা যেতে পারে।

সনাতন ধর্মে মহিলাদের কেবল একজন ব্যক্তি হিসেবে নয়, বরং ‘আদি শক্তি’ ও সৃষ্টির উৎস হিসেবে দেখা হয়। ভারতীয় দর্শন অনুসারে, শক্তি ছাড়া শিবও অসম্পূর্ণ। ভগবান শিব ও মাতা পার্বতীর মিলন ও সহাবস্থান এই বার্তাই দেয় যে শিব ও শক্তি একে অপরের পরিপূরক। তাই ঋতুস্রাবের মতো স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া কোনও মহিলার ভক্তি বা আধ্যাত্মিক সাধনায় বাধা সৃষ্টি করে না।

(বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই প্রতিবেদনটি ধর্মীয় লোকবিশ্বাস ও সাধারণ তথ্যের ওপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *