Salman Khan jail experience: একটা কমোডে ৭০ জন! জেলের ভেতর আর কী কী সহ্য করতে হয়েছিল সলমনকে? | Salman Khan Recalls Horrific Jail Days On Alliance To Support Sohail Khan - 24 Ghanta Bangla News
Home

Salman Khan jail experience: একটা কমোডে ৭০ জন! জেলের ভেতর আর কী কী সহ্য করতে হয়েছিল সলমনকে? | Salman Khan Recalls Horrific Jail Days On Alliance To Support Sohail Khan

Spread the love

রিয়্যালিটি শোর মঞ্চে তখন টানটান উত্তেজনা। আমাজন প্রাইম ভিডিয়োর জনপ্রিয় শো ‘অ্যালায়েন্স’-এর ফাইনালে ওঠার লড়াই চলছে। ঠিক এমন সময়েই ছোট ভাই সোহেল খানের মনোবল বাড়াতে হঠাৎই হাজির স্বয়ং সলমন খান! তবে শুধু ভাইয়ের পাশে দাঁড়ানোই নয়, মঞ্চে উঠে ভাই সহ বাকি প্রতিযোগীদের অনুপ্রাণিত করতে গিয়ে নিজের জীবনের এক ভয়ঙ্কর এবং নারকীয় অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নিলেন ‘ভাইজান’। শোনালেন জেলে কাটানো দিনগুলোর গল্প।

সলমন জানান, বহুবছর আগে যখন তাঁকে কারাবাস করতে হয়, তখনকার পরিস্থিতি ছিল বেশ কঠিন। ছোট একটা ঘরে বন্দি ছিলেন প্রায় ৫০ থেকে ৭০ জন মানুষ। সবচেয়ে বাজে অবস্থা ছিল শৌচাগারের। সলমনের কথায়, “মাত্র একটা ইন্ডিয়ান স্টাইল কমোড ছিল। চারদিকে টিকটিকির উপদ্রব, আর মল-মূত্রে চারপাশ এমনভাবে ভরে থাকত যে ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব।” সলমনের এই কথা শুনে কেঁদে ফেলেন সোহেল এবং স্তব্ধ হয়ে যান উপস্থিত বাকি প্রতিযোগীরাও।

আসলে সাম্প্রতিক নানা ঝামেলার জেরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন সোহেল খান। কুঁচকির চোট, প্রাক্তন স্ত্রী সীমা সাজদেহের শোর থেকে বাদ পড়া এবং শোয়ের সেটের দরজা ভেঙে বেরিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটিয়েছিলেন তিনি। সেই বিষণ্ণ ভাইয়ের মনে জোর ফেরাতেই ভাইজানের এই আগমন। শুধু জেলের গল্প নয়, সোহেল ও সীমার বিচ্ছেদ নিয়েও মুখ খোলেন সলমন। জানান, সোহেল নিজের ওপর সব দোষ টেনে নিলেও, দাদা হিসেবে তিনি দেখেছেন তাঁর ভাই ভেতরে ভেতরে কতটা কষ্ট পেয়েছে।

জেল জীবনের এই কঠোর সত্য সলমন আগেও সামনে এনেছেন। ২০০৮ সালে ‘অন দ্য কাউচ উইথ কোয়েল’ অনুষ্ঠানে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, জেলে সবচেয়ে বড় মানসিক চাপ ছিল বাথরুম ব্যবহার করা। তবে কোনও অন্যায় না করায় মাথা উঁচু করেই তিনি ৩-৪ বার জেলে গিয়েছেন ও ফিরে এসেছেন।

এমনকি চলতি বছরের শুরুতে ভাইপো আরহান খানের ‘ডাম্ব বিরিয়ানি’ পডকাস্টেও নিজের এই জেল জীবনের প্রসঙ্গ তোলেন সলমন। সেখানে কাজের প্রতি সততা ও শৃঙ্খলা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, জেলে যখন ছিলেন, তখন পরিস্থিতি বদলানোর ক্ষমতা ছিল না বলেই চুপচাপ ঘুমাতেন। দিনে সাধারণত দেড়-দুই ঘণ্টার বেশি ঘুমান না সলমন, তিনি মনে করেন, পরিবার বা কাজের স্বার্থে খাটতে গেলে ক্লান্তির অজুহাত দিলে চলবে না।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৮ সালে কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলায় সলমন খানকে ২০০৬ সালে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, যদিও ৬ দিনের মধ্যে জামিন পান তিনি। পরবর্তীতে ২০১৮ সালেও এই একই মামলায় আবার কয়েকদিন জেল খাটতে হয় তাঁকে। সব মিলিয়ে, চরম প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও কীভাবে ভেঙে না পড়ে লড়ে যেতে হয়, সেটাই যেন ছোট ভাই সোহেলকে আবার নতুন করে মনে করিয়ে দিলেন সলমন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *