প্রায় ৪৪ লক্ষ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন, গ্রেপ্তার বর্ধমান সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের ডেপুটি জিএম - 24 Ghanta Bangla News
Home

প্রায় ৪৪ লক্ষ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন, গ্রেপ্তার বর্ধমান সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের ডেপুটি জিএম

Spread the love

FAQ

১. কেন গ্রেপ্তার করা হয়েছে অমিত রজককে?

সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে। তদন্তে অভিযোগ উঠেছে, তিনি একাধিক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রায় ৪৪ লক্ষ টাকা নিজের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করেছিলেন।

২. অমিত রজক কোন পদে কর্মরত ছিলেন?

তিনি বর্ধমান সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) ছিলেন। রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ও ক্রেডিট মনিটরিং সেলের দায়িত্বে ছিলেন এবং পরে সেহারাবাজার শাখার ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

৩. সন্দেহজনক লেনদেন কীভাবে করা হয়েছিল বলে অভিযোগ?

তদন্তে অভিযোগ, ব্যাঙ্কের বিভিন্ন কর্মীর অ্যাকাউন্টে ৫০ হাজার টাকার কম অঙ্কে টাকা জমা করা হতো। পরে সেই অর্থ ধাপে ধাপে অমিত রজকের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত করা হয়। তদন্তকারীদের ধারণা, প্যান-সংক্রান্ত রিপোর্টিং এড়াতেই ৫০ হাজার টাকার নিচে ভাগ করে টাকা জমা করা হয়েছিল।

৪. ঋণ সংক্রান্ত কী তথ্য সামনে এসেছে?

তদন্তে জানা গিয়েছে, ১৩টি পৃথক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে তিনি মোট ৮৩ লক্ষ টাকার ঋণ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে ৮২ লক্ষ টাকা পরিশোধও করা হয়েছে। এই লেনদেন নিয়েও তদন্তকারীদের সন্দেহ রয়েছে।

৫. গ্রেপ্তারের আগে কী হয়েছিল?

অমিত রজক গ্রেপ্তার এড়াতে কলকাতা হাই কোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। এরপর তাঁকে হিন্দমোটর থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

৬. পুলিশ কী কী বাজেয়াপ্ত করেছে?

ধৃতের মোবাইল ফোন, প্যান কার্ড এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এগুলি খতিয়ে দেখে অর্থের উৎস, লেনদেনের প্রকৃতি এবং অন্য কারও যোগসাজশ ছিল কি না, তা তদন্ত করা হচ্ছে।

৭. তদন্তে এখন কোন বিষয়গুলিতে জোর দেওয়া হচ্ছে?

পুলিশ মানি ট্রেল, টাকার প্রকৃত উৎস, সম্ভাব্য সহযোগীদের ভূমিকা এবং এই সন্দেহজনক লেনদেনের সঙ্গে নোটবন্দির সময়কার কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *