তিন সাধুকে একান্ন হাজার টাকা ট্রান্সফার ‘সম্মোহিত’ শিক্ষকের!
শিক্ষক আতান্তরে পড়েন। একটু আমতা আমতা করেই বলেন, ‘না, মানে, আসলে… চলুন, বাজারেই তো যাচ্ছি। আপনাদেরও না–হয় চা খাইয়ে দেবো।’ জটায় হাত বুলিয়ে হো হো করে ফেটে পড়েন ‘গুরুজি’, ‘চা! তা–ও আবার বাজারে? আমরা তো বাইরের কিছু মুখে দিই না বাছা!’
শিক্ষকের বিড়ম্বনা বাড়তেই থাকে। কিছুটা নিরুপায় হয়েই ‘গুরুজি’–সহ তিন ‘সাধু’কে তিনি বাড়ি নিয়ে যান। বসার ঘরে বসিয়ে গিন্নিকে চার কাপ চা–ও বসাতে বলেন। ওই শিক্ষক বলছেন, ‘ওঁরা ঘরে ঢোকার কিছুক্ষণ পরেই বাড়ির আবহ যেন একেবারে বদলে গিয়েছিল। অদ্ভুত একটা গন্ধে শরীর–মন সব যেন অবশ হয়ে গিয়েছিল। ওঁরা হিমালয়, গঙ্গাসাগর, কুম্ভ নিয়ে খুব শক্ত শক্ত কথা বলছিলেন। কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। কিন্তু, খুব ভালোও লাগছিল।’