‘এক পৃথিবী-পরিত্যক্ত পচা মতবাদের শরিক বাম-মৌলবাদীরা!’ বিস্ফোরক তথাগত
কলকাতা: গত ১ আগস্ট দীর্ঘ ১৯ বছর পর কলকাতায় এলেন সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিন (Tathagata Roy)। মৌলবাদের বিরুদ্ধে কলম ধরা তসলিমা বার বারই সম্মমুখীন হয়েছেন বিতর্কের…
কলকাতা: গত ১ আগস্ট দীর্ঘ ১৯ বছর পর কলকাতায় এলেন সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিন (Tathagata Roy)। মৌলবাদের বিরুদ্ধে কলম ধরা তসলিমা বার বারই সম্মমুখীন হয়েছেন বিতর্কের এবং ২০০৭ সালে তার দ্বিখণ্ডিত উপন্যাসের কারণে বাংলায় ছড়িয়েছিল উত্তেজনা। বাংলার বামেরা তাকে চিরতরে নির্বাসনে পাঠিয়েছিল। দীর্ঘ ১৯ বছর পর ফের কোলকাতায় এলেও সেই বিতর্ক কিন্তু পিছু ছাড়েনি।
এবার তার হয়ে কলম ধরেছেন বিজেপির বর্ষিয়ান নেতা তথাগত রায় (Tathagata Roy)। তিনি লিখেছিলেন “উনিশ বছর বাদে তসলিমা কলকাতায় এলেন – যেখান থেকে শয়তান সিপিএম তাঁকে একবস্ত্রে তাড়িয়ে দিয়েছিল। কেন ? শুধু মুসলমান ভোটব্যাংককে তোয়াজ করার জন্য। তারপর তাদের মেধাবী ছাত্রী মমতাও একই কারণে কলকাতার দরজা তাঁর জন্য বন্ধ রেখেছিলেন। রবীন্দ্রসদনে যে অভ্যর্থনা পেলেন তাতে তসলিমা অভিভূত।”
আরও দেখুনঃ মহিলা কুস্তিগীরদের যৌন হেনস্থা মামলা: অবশেষে বেকসুর খালাস ব্রিজ ভূষণ
এই পোস্টের পাল্টা উত্তর দিতে রীতিমত নোংরামিতে নেমে আসে বাংলার বামেরা। অকথ্য ভাষায় তার বিরুদ্ধে আক্রমণ শানায় বাম এবং মৌলবাদীরা। এই আক্রমণেও দমেননি তথাগত (Tathagata Roy)। তিনি ফের তার এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লিখেছেন “এক পৃথিবী-পরিত্যক্ত পচা মতবাদের শরিক হচ্ছে বাংলার বামেরা, “চলবে না, দিচ্ছি না, দেব না, মানতে হবে” গোছের অন্তঃসারশূন্য স্লোগান যাদের প্রধান উপজীব্য।
আর ইসলামী মৌলবাদীরা ? এদের চোখে মেয়েরা হচ্ছে পুরুষের স্নায়বিক সুখ প্রদানের আর সন্তান উৎপাদন করে পৃথিবীকে ভরিয়ে দেবার যন্ত্র; আর হিন্দুরা হচ্ছে মূর্তিপূজক, অর্থাৎ অল্প সংখ্যায় থাকলে খুন করে হাতের সুখ করার জন্য পদার্থ, কিন্তু বেশি সংখ্যায় থাকলে পায়ের কাছে লুটিয়ে পড়ে কেউঁ কেউঁ করার লোক। আর এই সব করলে জন্নতে গিয়ে যে পুরস্কার পাওয়া যাবে তার নাম অবিরাম যৌনসঙ্গম।”
আরও দেখুনঃ মেঘ-বৃষ্টিতেও কমছে না গরম! কলকাতায় অস্বস্তি, উত্তরবঙ্গে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা
শুধু তাই নয় এই পোস্টে তিনি তসলিমা নাসরিনের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন এবং বলেছেন, তসলিমা এই সব বস্তাপচা এবং সভ্য পৃথিবীতে অচল মতবাদের বিরুদ্ধে কলম ধরে যথেষ্ট সাহসের পরিচয় দিয়েছেন এবং তাকে ‘ময়মনসিংহিনী’ তকমা দিয়েছেন এবং প্রশ্ন করেছেন, এই বস্তাপচা মতবাদের বিরুদ্ধে কষাঘাত করে তাকে কেন নির্বাসন দন্ড ভোগ করতে হল।