জলমগ্ন শহরে গতি কমেছে রাস্তার, মুশকিল আসান কবে?
পুরসভার প্রাক্তন বাম কাউন্সিলার কীর্তি দে বক্সীও বলেন, ‘উড়ালপুল ছাড়া এই শহরের গতি স্তব্ধ হয়ে পড়বে। ধর্মার দিকে নিকাশি মহানালা ও শহরের বাইরে বাসস্ট্যান্ডও জরুরি।’ তথ্য অনুযায়ী, ১৯৩১-এ মেদিনীপুর শহরের জনসংখ্যা ছিল ৩২০২১। ২০১১-এর আদমসুমারী অনুযায়ী, প্রতি ১০ বছরে গড়ে ১০ হাজার মানুষ বেড়েছে শহরে। তবে ১৯৯৮-এর পর থেকে দু’টি কারণে (রাজনৈতিক অশান্তি থেকে মুক্তি ও সন্তানের উন্নত লেখাপড়া ও স্বাস্থ্যের কথা ভেবে) জেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে বহু মানুষ শহরে আসতে শুরু করেন। ২০১১-য় জনসংখ্যা বেড়ে হয় ১,৬৯,১২৭। মেদিনীপুর পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে সেই জনসংখ্যা প্রায় তিন লক্ষ। তবে, এই জনসংখ্যা কিন্তু সঠিক তথ্য দেয় না। কারণ, বর্তমানে এই শহরে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়। গড়ে উঠেছে একাধিক সরকারি ও বেসরকারি স্কুল, মেডিক্যাল কলেজ, আইন কলেজ প্রভৃতি। রাজ্যের বিভিন্ন জেলার ছাত্র, শিক্ষকরা মেস বা হস্টেলে থাকেন। মেদিনীপুর সদর শহর হওয়ায় অফিস, আদালতে বহু মানুষ সকাল থেকে ভিড় জমান। বহু আধিকারিক, কর্মীও বাইরে থেকে আসেন। বহু বাস, ট্রাক ঢোকে। এটা ভুললে চলবে না যে, তাঁরা সকলেই এই শহরের রাস্তা ব্যবহার করেন, তাঁদের স্নানের জল নিকাশি নালা দিয়ে বেরোয়। সব জেনেও তা হলে করণীয় কাজগুলি হয়নি কেন?