Bankura: 'তৃণমূল আমলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, কাজ হয়নি', সেতুর অবস্থা দেখে শিউরে উঠছেন সবাই | Bankura Bridge in Dilapidated Condition, Cave In Sparks Safety Fears Among Villagers - 24 Ghanta Bangla News
Home

Bankura: ‘তৃণমূল আমলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, কাজ হয়নি’, সেতুর অবস্থা দেখে শিউরে উঠছেন সবাই | Bankura Bridge in Dilapidated Condition, Cave In Sparks Safety Fears Among Villagers

Spread the love

বাঁকুড়া: প্রায় দেড় থেকে দু’ দশক আগে বাঁকুড়া মানকানালি সড়কের উপর গন্ধেশ্বরী নদীতে তৈরি হয়েছিল পাকা সেতু। তারপর একদিকে রক্ষণাবেক্ষণের অভাব আর অন্যদিকে একের পর এক বন্যায় বেহাল হয়েছে সেতুর স্বাস্থ্য। তৃণমূল আমলে বারেবারে ঘটা করে সেতু পরিদর্শন করেছেন নেতা, মন্ত্রী, আমলারা। মিলেছে প্রতিশ্রুতিও। কিন্তু লাভের লাভ কিছুই হয়নি। এবার বর্ষার শুরুতেই সেতুর মাঝে মাঝে নামতে শুরু করেছে ধস। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, যেকোনও সময় ঘটতে পারে বড়সড় দুর্ঘটনা।

বাঁকুড়া শহরের সঙ্গে মানকানালি, উখড়াডিহি-সহ অন্তত ৫০টি গ্রামের যাতায়াতের মূল সড়কের মাঝখান দিয়ে বয়ে গেছে গন্ধেশ্বরী নদী। ওই নদী পারাপারের জন্য দেড় থেকে ২ দশক আগে তৈরি হয়েছিল পাকা সেতু। তারপর গন্ধেশ্বরী নদী দিয়ে বয়ে গেছে বহু জল। প্রতিবছর বন্যায় একটু একটু করে দুর্বল হয়েছে সেতুর বিভিন্ন অংশ। কখনও আবার বন্যার জলের তোড়ে ভেসে গেছে সেতু সংলগ্ন রাস্তার অংশ। প্রতিবারই বর্ষার পর কোনওরকমে জোড়াতালি দিয়ে এতদিন চলছিল যাতায়াত। বাস থেকে শুরু করে ছোট গাড়ি, স্কুল ভ্যান থেকে শুরু করে সাধারণ পথচারীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়েই যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছিলেন।

তৃণমূল আমলে একাধিকবার সেতুটির স্বাস্থ্য ঘটা করে দেখে গিয়েছেন বিভিন্ন স্তরের নেতা, আমলা এমনকি তৎকালীন মন্ত্রীরাও। প্রতিবারই নতুন করে সেতু তৈরির আশ্বাসও দিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু নতুন সেতু তো দূর অস্ত, পুরানো বেহাল সেতু মেরামতের সামান্য উদ্যোগও নেওয়া হয়নি। এবার বর্ষার মুখে সেই সেতুরই বিভিন্ন জায়গায় ধস নামতে শুরু করেছে। ফলে সেতুর মাঝে মাঝে তৈরি হয়েছে বড়বড় গর্ত। সেতুর বিভিন্ন জায়গায় দেখা দিয়েছে ফাটল। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বিপজ্জনক এই সেতু দিয়ে পারাপার করতে গিয়ে যে কোনওদিন ঘটে যেতে পারে বড়সড় দুর্ঘটনা। রাজ্যে পালাবদলের পর এবার সেতুর হাল ফিরবে বলে আশাবাদী স্থানীয় বাসিন্দারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *