Punjab Police: এবার পঞ্জাবে ধৃত ৪ সন্দেহভাজন জইশ জঙ্গি, হামিমের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল? | Get the latest News on Jaish Terror Suspect, Punjab Police Arrest 4 Suspected Jaish Terror Operatives, Probe Possible Link to Bengal’s Hamim Mondal
চণ্ডীগড়: বাংলায় সন্দেহভাজন জইশ জঙ্গিকে গ্রেফতার নিয়ে হইচইয়ের মধ্যেই সন্দেহভাজন চার জঙ্গিকে গ্রেফতার করল পঞ্জাব পুলিশ। সুত্রের খবর, উত্তর এবং পূর্ব ভারতে জইশ-ই-মহম্মদের নেটওয়ার্ক বিস্তারের দায়িত্ব ছিল ধৃতদের উপরে। বর্ধমানে ধৃত হামিম মণ্ডলের সঙ্গে এই চারজনের লিঙ্ক রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পঞ্জাব পুলিশ।
আইএসআই এবং জইশের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহভাজন এই চার জঙ্গিকে ধরেছে পঞ্জাব পুলিশের স্পেশাল ইন্টেলিজেন্স সেল। পঞ্জাব-সহ উত্তর ভারত এবং পূর্ব ভারতের বেশকিছু অংশে জঙ্গি নেটওয়ার্ক তৈরি করা এবং মডিউলের জন্য টাকা তোলা ছিল এই টিমের কাজ। পঞ্জাব পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত চার জনের মধ্যে দু’জন পূর্ব ভারতে নিজেদের নেটওয়ার্ক তৈরির কাজেও ন্যস্ত ছিল। বর্ধমান থেকে যে সন্দেহভাজন জঙ্গিকে ধরা হয়েছে, সেই হামিম মণ্ডলও জইশ নেটওয়ার্কের জঙ্গি কার্যকলাপ দেখত।
পঞ্জাব থেকে একই দিনে যে চারজন গ্রেফতার হয়েছে, তার সঙ্গে বর্ধমানে গ্রেফতার হওয়া হামিমের কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা পঞ্জাব পুলিশের তরফে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। এই চারজনকে জেরা করে জানা গিয়েছে, গোটা দেশে একাধিক জায়গায় নেটওয়ার্ক তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। স্বাধীনতা দিবসের আগে বড়সড় নাশকতার পরিকল্পনা জইশ সংগঠনের তরফে করা হচ্ছে বলে মনে করছেন পঞ্জাব পুলিশের ইন্টেলিজেন্স শাখার কর্তারা।
পঞ্জাব পুলিশ সূত্রে খবর, ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত এবং নেপাল সীমান্ত ব্যবহার হচ্ছে এই নেটওয়ার্ক বিস্তারের কাজে। এই দুটি সীমান্তের অরক্ষিত অংশ থেকেই মূলত অস্ত্র এবং টাকা ঢুকছে। সেই টাকা দিয়েই নেটওয়ার্ক বড় করছে আইএসআই কিংবা জইশের মতো জঙ্গি সংগঠন। বর্ধমানে গ্রেফতার হওয়া হামিমের সঙ্গে এই চারজন নেটওয়ার্ক তৈরি করছিল কি না, তা জেরা করে জানার চেষ্টা হচ্ছে বলেও পঞ্জাব পুলিশ সূত্রে খবর।
পাঞ্জাবের আনজালা পুলিশ স্টেশনের অন্তর্গত চামিয়ারি পুলিশ পোস্টে হামলা হয়েছিল গত ২১ জুলাই রাতে। সেই হামলার তদন্তে নেমে এই চারজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। তারপরই ধৃতদের সঙ্গে জঙ্গিদের যোগ থাকার প্রমাণ পান তদন্তকারীরা।