হাসপাতাল চত্বর ও জাতীয় সড়কের পাশ থেকে তুলতে হবে দোকান, গঙ্গারামপুরে নির্দেশ প্রশাসনের
সোজা চলে গিয়েছে ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়ক। তার ঠিক পাশেই রয়েছে গঙ্গারামপুর মহকুমার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল। প্রতিদিন বহু গাড়ি যাতায়াত করে এই রাস্তা দিয়ে, তার সঙ্গে হাসপাতালটিতেও প্রতিদিন বহু রোগী আসেন। আর এই জাতীয় সড়ক ও হাসপাতাল চত্বরে রয়েছে বহু দোকানপাট। অভিযোগ, সেগুলি বেআইনি ভাবে তৈরি হয়েছে। এ বার ওই দোকানগুলি সরানোর উদ্যোগ নিয়েছে পুরসভা ও মহকুমা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকরা গঙ্গারামপুর মহকুমার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল চত্বর পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের পরে জাতীয় সড়কের পাশে ও হাসপাতাল সংলগ্ন সরকারি জায়গায় থাকা ব্যবসায়ীদের দোকান সরিয়ে নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। সেই কারণে সাত দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার মৌখিক ভাবেই ব্যবসায়ীদের নির্দেশ দিয়েছে আধিকারিকরা৷ বৃহস্পতিবারের পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন গঙ্গারামপুর পুরসভার পুরপ্রশাসক মোস্তাক আহমেদ, হাসপাতালের সুপাররানা দাম, ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তরের আধিকারিকরা, পুলিশ প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকরা। হাসপাতাল চত্বরের পাশাপাশি জাতীয় সড়কের পাশে পূর্ত দপ্তরের জমিতে থাকা দোকানগুলিকেও সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে প্রবল উদ্বেগে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। সুদেবী মালো, বাপ্পা সরকারদের দোকান রয়েছে ওই এলাকায়। তাঁদের দাবি, তাঁর কেউ ২০ বছর আবার কেউ ৩০ বছর ধরে ব্যবসা করছেন। রোগী ও তাঁদের পরিজনদের প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিক্রি করেন ওই ব্যবসায়ীরা। তাঁদের দাবি, সরকারি জমি ছেড়ে দেবেন তাঁরা। কিন্তু বিকল্প জায়গার দাবি জানিয়েছেন ওই ব্যবসায়ীরা। সুদেবী, বাপ্পার দাবি, ‘এই ব্যবসার উপরেই আমাদের সব চলে। সেই ব্যবসায় বন্ধ হয়ে গেলে আমাদের চরম আর্থিক সঙ্কটে পড়তে হবে।’
গঙ্গারামপুর পুরসভার পুরপ্রশাসক মোস্তাক আহমেদ বলেন, ‘শুধু হাসপাতালের ভিতরে নয়, হাসপাতাল সংলগ্ন ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে পূর্ত দপ্তরের জমিতে গড়ে ওঠা দোকানগুলিকেও একই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’