নিয়ম মেনেই পেলেট গান চালানো হয়েছিল, অন্তর্তদন্তে দাবি দিল্লি পুলিশের - 24 Ghanta Bangla News
Home

নিয়ম মেনেই পেলেট গান চালানো হয়েছিল, অন্তর্তদন্তে দাবি দিল্লি পুলিশের

Spread the love

যাবতীয় নিয়ম বা এসওপি মেনেই পেলেট গান (ছররা বন্দুক) চালানো হয়েছিল। দিল্লি পুলিশের অন্তর্তদন্তে এমনই তথ্য উঠে এসেছে বলে খবর মিলল অমিত শাহের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে।

নিট-এর প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলনকারীদের সংসদ অভিযান রুখতে পেলেট গান ব্যবহার করা হয়নি বলে প্রাথমিক ভাবে দাবি করেছিল দিল্লি পুলিশ। কিন্তু পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় দায়ের হওয়া একটি জেনারেল ডায়েরি (জিডি)-র নথি অনুযায়ী, দিল্লি পুলিশের এক ডিসিপি পদমর্যাদার অফিসারের নির্দেশেই র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (র‌্যাফ) ছররা গুলি ছুড়েছিল। সংবাদমাধ্যমে এমন রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পরেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে দিল্লি পুলিশের অন্তর্তদন্তের খবর প্রকাশ্যে এল। সেই সূত্রেরই দাবি, এই তথ্য সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা আকারে পেশ করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং দিল্লি পুলিশ। যদিও এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক বা দিল্লি পুলিশের তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।

দিল্লি পুলিশের সূত্রের দাবি, গত ২০ জুলাই দিল্লির কনট প্লেসে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভের সময়ে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে প্রথমে লাউডস্পিকারে আবেদন করা হয়েছিল। তাতে কাজ না হওয়ায় কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। লাঠিচার্জ করা হয় তার পরে। দিল্লি পুলিশের সূত্র দাবি করেছে, যাবতীয় পদক্ষেপ ব্যর্থ হওয়ার পরেই ডিসিপি পদমর্যাদার এক আধিকারিকের নির্দেশে র‌্যাফের এক ডেপুটি কম্যান্ডান্ট পেলেট গান চালান।

সংবাদমাধ্যম ‘দ্য হিন্দু’র প্রতিবেদনেও দাবি, গত ২০ জুলাই সংসদ অভিযানের পরে রাত দেড়টা নাগাদ থানায় জেনারে ডায়েরি লেখা হয়। সেই নথিতেই বলা হয়েছে, আন্দোলনে বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ডিসিপি পদমর্যাদার এক অফিসারের নির্দেশে র‌্যাফের এক ডেপুটি কমান্ড্যান্ট মোট ৫৫ রাউন্ড নন-ইলেকট্রিক্যাল শেল, ১৫ রাউন্ড ইলেকট্রিক্যাল শেল, ৫টি টিয়ার গ্যাসের সেল এবং প্লাস্টিক পেলেট ভর্তি ২টি অ্যান্টি-রায়ট গান থেকে গুলি চালিয়েছেন।

যদিও দিল্লি পুলিশের নথি বা অন্তর্তদন্তের রিপোর্টে কোথাও ধাতব পেলেটের উল্লেখ ছিল না। ছিল প্লাস্টিক পেলেটের উল্লেখ। কিন্তু অভিযোগ, ধাতব পেলেটও ব্যবহার করেছিল দিল্লি পুলিশ। ছররা বন্দুক ব্যবহারের কারণে যে ক’জন আন্দেলনকারী জখম হয়েছেন বলে অভিযোগ, তাঁদের এক জন বছর উনিশ বয়সি সাহিল লোচাব ভর্তি ছিলেন সফদরজং হাসপাতালে। ধাতব পেলেটের আঘাতে তাঁর ডান চোখের মণি মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ। পরিবার এবং হাসপাতাল সূত্রের দাবি, সাহিলের দৃষ্টি ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা মাত্র ১ শতাংশ। ঘটনাচক্রে, দিল্লি পুলিশ প্রথমে ছররা বন্দুক ব্যবহারের কথা অস্বীকার করলেও, সফদরজং হাসপাতালই সেই দাবি নস্যাৎ করে দেয়। তার পরেই ছররা বন্দুকের ব্যবহার নিয়ে বিতর্ক আরও জোরদার হয়।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *