আকাশে না-হোক, মহাসমুদ্রেই স্বপ্নের যাত্রা ডুয়ার্সের সমীক্ষার
গুজরাট থেকে সমীক্ষা ফোনে বলেন, ‘যে হেতু বাবা ডিফেন্সে আছেন, তাই আমারও সেই দিকে যাওয়ার ইচ্ছে ছিল। প্রথমে এয়ার ফোর্সে পাইলট হওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। কোনও কারণে সেটা হয়নি। পরে মার্চেন্ট নেভির কথা জানতে পেরে এন্ট্রান্স দিই আর সুযোগ পেয়ে যাই। এখন প্রশিক্ষণ চলছে। তিন বছর পরে কাজে যোগ দেবো।’ তাঁর সংযোজন, ‘বাবা, মা আর দিদা সবসময়ে আমার পাশে থেকেছেন। উৎসাহ দিয়েছেন।’ সমীক্ষার প্রতিবেশী পুষ্পিতা কার্জি বলেন, ‘আমরা সমীক্ষাকে নিয়ে গর্বিত। ও এই এলাকার অনেক মেয়েকে প্রেরণা জোগাচ্ছে।’