যন্তর মন্তর আন্দোলনে ২,৮৭৩ অপরাধমূলক রেকর্ডধারীর উপস্থিতির দাবি দিল্লি পুলিশের - 24 Ghanta Bangla News
Home

যন্তর মন্তর আন্দোলনে ২,৮৭৩ অপরাধমূলক রেকর্ডধারীর উপস্থিতির দাবি দিল্লি পুলিশের

Spread the love

নয়াদিল্লি: দিল্লির যন্তর মন্তরে ছাত্র আন্দোলন ঘিরে বড় দাবি করল দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। পুলিশের এক শীর্ষ আধিকারিকের বক্তব্য, ২০ থেকে ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে আন্দোলনস্থলে…

নয়াদিল্লি: দিল্লির যন্তর মন্তরে ছাত্র আন্দোলন ঘিরে বড় দাবি করল দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। পুলিশের এক শীর্ষ আধিকারিকের বক্তব্য, ২০ থেকে ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে আন্দোলনস্থলে আসা ২,৮৭৩ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অতীতে বিভিন্ন ফৌজদারি মামলা নথিভুক্ত ছিল। এই ব্যক্তিদের দিল্লি পুলিশের Facial Recognition System (FRS) এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত নজরদারি ব্যবস্থার সাহায্যে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে দাবি।

পুলিশের দাবি, চিহ্নিত ব্যক্তিদের অধিকাংশই উত্তর-পূর্ব দিল্লির সিলামপুর, চাঁদবাগ ও জাফরাবাদ এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিল্লির জামিয়া নগর, শাহিন বাগ ও ওখলা এলাকার বাসিন্দা।

হিংসার ঘটনায় জড়িত কি না, তদন্তে পুলিশ

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, ২০ জুলাই যন্তর মন্তর এবং নয়াদিল্লির অন্যান্য এলাকায় যে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল, সেই ঘটনায় চিহ্নিত ব্যক্তিদের কেউ জড়িত ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশের এক আধিকারিকের দাবি, এই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে খুন, যৌন নির্যাতন, POCSO আইনে অপরাধ, অপহরণ এবং ডাকাতির মতো গুরুতর অভিযোগে মামলা রয়েছে।

তিনি আরও দাবি করেন, Cockroach Janata Party (CJP)-র আন্দোলনস্থলে এই অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন বারবার আসা-যাওয়া করেছিলেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অপরাধের মামলা রয়েছে।

৯৮৯ জনের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ

দিল্লি পুলিশের দাবি অনুযায়ী, ২,৮৭৩ জনের মধ্যে অন্তত ৯৮৯ জন গুরুতর অপরাধমূলক মামলায় অভিযুক্ত বা সন্দেহভাজন।

delhi-police-claims-2873-criminal-record-holders-attended-jantar-mantar-protest

কীভাবে শনাক্ত করা হল?

পুলিশ জানিয়েছে, আন্দোলনস্থলের প্রবেশ ও প্রস্থান পথ-সহ দিল্লির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বসানো উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরা থেকে প্রাপ্ত ছবি Facial Recognition System (FRS)-এর মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা হয়।

এই প্রযুক্তি দিল্লি পুলিশের ডেটাবেসে থাকা অপরাধী, পলাতক অভিযুক্ত, হিস্ট্রি-শিটার এবং ‘Bad Character (BC)’ হিসেবে নথিভুক্ত ব্যক্তিদের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।

পুলিশের দাবি, আন্দোলনের নামে কোনও অসামাজিক উপাদান যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করতে না পারে, সেই উদ্দেশ্যেই এই নজরদারি ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল।

তদন্তে নতুন সন্দেহ

তদন্তকারী সংস্থার মতে, এত সংখ্যক অপরাধমূলক রেকর্ডধারী ব্যক্তির উপস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অশান্ত করার উদ্দেশ্যে তাঁদের পরিকল্পিতভাবে আন্দোলনে পাঠানো হয়ে থাকতে পারে।

এছাড়া, কিছু ব্যক্তিকে পাকিস্তান-ভিত্তিক সামাজিক মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট থেকে নিরাপত্তা বাহিনী সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে প্রভাবিত করা হয়েছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে দাবি করা হয়েছে।

তবে দিল্লি পুলিশের এই দাবিগুলির স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। পাশাপাশি, Cockroach Janata Party (CJP)-এর পক্ষ থেকেও এই অভিযোগের বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *