আরশোলা কায়দায় বিক্ষোভ আন্দোলনে মৌলিক পরিকাঠামোর দাবি আদায় স্কুল পড়ুয়ারাদের - 24 Ghanta Bangla News
Home

আরশোলা কায়দায় বিক্ষোভ আন্দোলনে মৌলিক পরিকাঠামোর দাবি আদায় স্কুল পড়ুয়ারাদের

Spread the love

লখনউ: উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) ফতেহপুর জেলার কিশনপুরের সর্বোদয় ইন্টার কলেজে মঙ্গলবার মৌলিক পরিকাঠামোর দাবিতে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভে সামিল হয় শতাধিক পড়ুয়া। পানীয় জল,…

লখনউ: উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) ফতেহপুর জেলার কিশনপুরের সর্বোদয় ইন্টার কলেজে মঙ্গলবার মৌলিক পরিকাঠামোর দাবিতে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভে সামিল হয় শতাধিক পড়ুয়া। পানীয় জল, কার্যকর শৌচাগার, শ্রেণিকক্ষে ফ্যান, লাইব্রেরি-সহ বিভিন্ন মৌলিক সুবিধার দাবিতে স্কুলের মূল গেট অবরোধ করে আন্দোলনে বসে তারা।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সাম্প্রতিক Cockroach Janata Party (CJP)-এর নেতৃত্বে দেশজুড়ে হওয়া ছাত্র আন্দোলনের আবহেই এই বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। তবে দুই ঘটনার মধ্যে কোনও সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

হাতে জাতীয় পতাকা, ড. বি. আর. আম্বেদকরের ছবি এবং বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে সকাল ৭টা থেকে আন্দোলন শুরু করে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়ারা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ছাত্রছাত্রীরা স্কুলের গেট আটকে বিক্ষোভ করছেন। অনেকেই এই প্রজন্মকে “Gen Alpha” বলে উল্লেখ করেছেন।

আন্দোলনরত পড়ুয়াদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে স্কুলে পানীয় জলের ব্যবস্থা নেই, শৌচাগারের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ, অনেক শ্রেণিকক্ষের ফ্যান অকেজো এবং কিছু ফ্যান থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে। একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কর্তৃপক্ষ কোনও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি বলেও তাদের দাবি।

এছাড়াও, ভর্তি, মার্কশিট ও অন্যান্য নথি দেওয়ার নামে অননুমোদিত অর্থ আদায়ের অভিযোগও তোলা হয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। তবে এই অভিযোগগুলির বিষয়ে প্রশাসনের তরফে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

প্রথমে স্কুলের অধ্যক্ষ লাল বাহাদুর সিং এবং কিশনপুর থানার স্টেশন হাউস অফিসার মনীশ সিং পড়ুয়াদের বোঝানোর চেষ্টা করলেও বিক্ষোভ প্রত্যাহার হয়নি।

শেষ পর্যন্ত দুপুর ১২টা নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছান জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (DIOS) রাকেশ কুমার। তিনি পড়ুয়াদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ শুরু করার লিখিত আশ্বাস দেন। এরপরই ছাত্রছাত্রীরা অবরোধ তুলে নেয়।

সংবাদমাধ্যমকে স্কুলের অধ্যক্ষ লাল বাহাদুর সিং স্বীকার করেন যে অর্থের অভাব রয়েছে, তবে উপলব্ধ সম্পদের মধ্যেই পরিকাঠামো উন্নত করার চেষ্টা করা হবে। অন্যদিকে DIOS রাকেশ কুমার জানান, স্কুলের পরিকাঠামো ও স্যানিটেশন সংক্রান্ত কাজ দ্রুত শুরু হবে। তবে বিজ্ঞান বিভাগ চালু করতে হলে প্রয়োজনীয় স্বীকৃতি এবং ল্যাবরেটরি স্থাপন সম্পূর্ণ হওয়ার পরই তা সম্ভব হবে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *