মিউটেশনের জন্য গত এক দশকে আদায় প্রায় ১০০ কোটি, পরবর্তী শুনানি বুধবার
আদালতের নির্দেশে সম্প্রতি এ নিয়ে একটি রিপোর্ট দিয়েছে পুরনিগম। খতিয়ান দিয়ে তাদের দাবি, নাগরিক পরিষেবার জন্য তারা এই টাকা খরচ করেছে। কিন্তু আইন মেনে টাকা তোলা যায় কি না, সে ব্যাখ্যায় পুরনিগম যায়নি। উল্টে নিজেদের আর্থিক দুরবস্থার ব্যাখ্যা দিয়েছে। এ–ও বলেছে — এত দিন ধরে তারা টাকা নিয়েছে, বছর বছর অডিটও হয়েছে। তবু বিষয়টিকে ‘বেআইনি’ বলে সতর্ক করা হয়নি। তা ছাড়া, এখন সম্পত্তি কর বাবদ যে টাকা নেওয়া হয়, তা ২০০৫–’০৬ সালে নির্ধারিত। বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এর হার সংশোধন করা হয়নি। সার্ভিস চার্জের নামে পুরনিগম আদৌ টাকা নিতে পারে কি না, সে ব্যাপারে আদালতের রায় দেওয়ার কথা বুধবারের শুনানিতে।