'একাই রাফালকে ধ্বংস করেছে জে-১০সিই', চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যমের নতুন দাবি - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘একাই রাফালকে ধ্বংস করেছে জে-১০সিই’, চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যমের নতুন দাবি

Spread the love

Rafale Vs J-10C: গত বছর ‘অপারেশন সিদুঁর’-র পর থেকেই চিন ভারতীয় যুদ্ধবিমান নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের—যেমন জে-১০সিই (J-10CE) যুদ্ধবিমান এবং পিএল-১৫…

Rafale Vs J-10C: গত বছর ‘অপারেশন সিদুঁর’-র পর থেকেই চিন ভারতীয় যুদ্ধবিমান নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের—যেমন জে-১০সিই (J-10CE) যুদ্ধবিমান এবং পিএল-১৫ (PL-15) আকাশ-থেকে-আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র—বিক্রি বাড়াতে এবং মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ চালাতে গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চিনা সংবাদমাধ্যম এসব সরঞ্জাম নিয়ে অতিরঞ্জিত দাবি করে আসছে। গত পনেরো মাস ধরে চিন প্রায়শই ভারতীয় যুদ্ধবিমানের তুলনায় নিজেদের বিমানের সক্ষমতা নিয়ে নানা নতুন নতুন গল্প প্রচার করে আসছে। একই সময়ে, কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও প্রায়ই চীনা যুদ্ধবিমান বিক্রির বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করছে।

তবে, ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর থেকে চিন এখনও কোনো দেশের সাথেই তাদের যুদ্ধবিমান বা পিএল-১৫ (PL-15) ক্ষেপণাস্ত্রের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো চুক্তি সম্পন্ন করতে পারেনি। চিনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ‘সোহু’ (Sohu) একটি নতুন রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, যেখানে বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন এক বয়ান তুলে ধরা হয়েছে।

J-10CE-এর রাডার কি রাফালকে টেক্কা দিতে সক্ষম?
চিনের শীর্ষস্থানীয় রাডার বিজ্ঞানী বেন ডি-র উদ্ধৃতি দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ‘সোহু’ (Sohu) দাবি করেছে যে, ২০২৫ সালের মে মাসে সংঘটিত সংঘাতের সময় পাকিস্তানের J-10CE যুদ্ধবিমানগুলো কোনো ‘অ্যাওয়াকস’ (AWACS) বা নেটওয়ার্ক-ভিত্তিক ‘কিল চেইন’-এর সহায়তা ছাড়াই তাদের নিজস্ব KLJ-7A AESA রাডার ব্যবহার করে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূর থেকে ভারতীয় যুদ্ধবিমান শনাক্ত ও ট্র্যাক করে এবং সেগুলোকে ভূপাতিত করে।

এতদিন ধরে সিসিটিভি (CCTV)-র মতো চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম এবং দেশটির প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা ভারতীয় যুদ্ধবিমানগুলোর বিরুদ্ধে একটি ‘কিল চেইন’ (kill chain) বা লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসের কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি করে আসছিলেন। সাম্প্রতিক তথ্যানুযায়ী, কেএলজে-৭এ (KLJ-7A) এইসা (AESA) রাডারে ব্যবহৃত ‘গ্যালিয়াম নাইট্রাইড মডিউল’ এবং ‘লো-প্রোবাবিলিটি-অফ-ইন্টারসেপ্ট’ (low-probability-of-intercept) ওয়েভফর্মের কারণে ভারতের রাফাল, মিগ-২৯ এবং সুখোই-৩০এমকেআই (Su-30MKI) বিমানগুলো পিএল-১৫ (PL-15) ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতের আগে তাদের ওপর রাডার লক করার বিষয়ে কোনো সতর্কবার্তা পায়নি।

চিনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, এই রাডারটি প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে আধুনিক চতুর্থ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত ও অবিরাম অনুসরণ করতে এবং সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সক্ষম।

তবে রাফালের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হলো এর ‘স্পেকট্রা’ (SPECTRA) ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্যুট। এটি চিনের রাডার ব্যবস্থার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। জে-১০সিই (J-10CE)-এর কেএলজে-৭এ (KLJ-7A) রাডার যখনই রাফালকে শনাক্ত করার চেষ্টা করে, তখনই ‘স্পেকট্রা’ তাৎক্ষণিকভাবে সেই সংকেত শনাক্ত করে রাডারটিকে অকার্যকর বা জ্যাম (jam) করে দিতে সক্ষম হয়। এ কারণেই চিনের এই দাবিটি নিছকই একটি বানানো গল্প—এক ধরণের অলীক কল্পনা ছাড়া আর কিছুই নয়।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *