CJP Sourav Das: মাত্র ১৮ বছর বয়স থেকে RTI-র মাধ্যমে সত্য়সন্ধান, 'ককরোচ'দের মুখ কীভাবে হয়ে উঠল সৌরভ দাস? | From RTI Activist to CJP Spokesperson, How Sourav Das Become National Face? - 24 Ghanta Bangla News
Home

CJP Sourav Das: মাত্র ১৮ বছর বয়স থেকে RTI-র মাধ্যমে সত্য়সন্ধান, ‘ককরোচ’দের মুখ কীভাবে হয়ে উঠল সৌরভ দাস? | From RTI Activist to CJP Spokesperson, How Sourav Das Become National Face?

Spread the love

সিজেপি-র অন্যতম মুখ। কে এই সৌরভ দাস?Image Credit: Instagram

নয়া দিল্লি: এই দলের অস্তিত্বই ছিল না কয়েক মাস আগেও। এখন ঘরে ঘরে পরিচিত ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে দিল্লিতে যে বিশাল ছাত্র যুব আন্দোলন হল, তার প্রধান চালিকাশক্তিও এই ককরোচ জনতা পার্টিই (Cockr। সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে এখন সকলের পরিচিত। তবে তাঁর পাশেই নজর কেড়েছেন আরও একজন। সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে নিজেদের দাবি নিয়ে সাক্ষাৎ থেকে শুরু করে বিক্ষোভ-আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া- সবেতেই ছিলেন সৌরভ দাস। কে এই সৌরভ জানেন?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির দেশের যুবদের ‘আরশোলা’র সঙ্গে তুলনা করার পরই তৈরি হয় ককরোচ জনতা পার্টি। এরপরই সৌরভ দাস সিজেপিতে যোগ দেন এবং দলের মুখপাত্র হয়ে ওঠেন। দিল্লির বাসিন্দা সৌরভ।

সিজেপির সকল সদস্যরাই অল্প বয়সী। অনেকেই এখনও পড়াশোনা করছেন। যেমন দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে বস্টন ইউনিভার্সিটি থেকে পাবলিক রিলেশনে পোস্ট গ্রাজুয়েশন করেছেন। একইভাবে সৌরভ দাসও সাংবাদিকতা নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। জার্নালিজম ও মাস কমিউনিকেশনে স্নাতক তিনি।

কলেজ জীবন থেকেই সাংবাদিকতার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় সৌরভের। একজন সক্রিয় আরটিআই কর্মী হিসেবেও পরিচিত সৌরভ। ক্লাইমেট অ্যাকশন ফ্রন্ট নামক একটি পরিবেশ রক্ষা সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা সৌরভ।  ২০১৭ সালে, মাত্র ১৮ বছর বয়সেই সৌরভ তথ্যের অধিকার আইনে একাধিক বিষয়ে মামলা করতে থাকেন এবং সেই মামলা থেকে সত্য তুলে এনে প্রতিবেদন লেখেন।

কোভিড-১৯ মহামারির সময় তিনি মহামারী সম্পর্কিত বিচারাধীন আরটিআই মামলাগুলির দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সৌরভ। এর পরে কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনকে (সিআইসি) অনেক বিচারাধীন মামলায় দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হয়েছিল তাঁর চাপেই। আরটিআই-এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে আরোগ্য সেতু অ্যাপ, সোশ্যাল মিডিয়ার উপর সরকারি পদক্ষেপ, জেএনইউ হিংসা মামলা এবং আরও অনেক জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন। টেলিভিশন সংবাদমাধ্যমে যেমন তাঁর আরটিআই মামলা জায়গা পায়, তেমনই সৌরভ নিজেও ক্যারাভান ম্যাগাজিন, আর্টিকেল ১৪, আল জাজিরা, দ্য ওয়ার, দ্য হিন্দু ও নিউ লাইনস ম্যাগাজিনে লিখেছেন।

সৌরভ স্বাধীন অনুসন্ধানী সাংবাদিক হিসাবে কাজ করেন।  বর্তমানে কমপ্লিসিট সাইলেন্স: দ্য কোর্টস রোল ইন ইন্ডিয়াস কোয়াইট সাফারিং (Complicit Silence: The Court’s Role in India’s Quiet Suffering) নামে একটি বই লিখছেন, যা দেশের বিচারব্যবস্থার মামলাগুলি বিশ্লেষণ করা হয়েছে।  তিনি ‘দ্য জাস্টিস ব্রিফ উইথ সৌরভ দাস’ নামে একটি শো-ও সঞ্চালনা করেছেন।

তিহাড় জেলে বন্দী কিছু অভিযুক্তের সঙ্গে সাক্ষাতের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার পরও সৌরভ দাসের নাম আলোচনায় আসে। এদের মধ্যে ছিলেন দিল্লি দাঙ্গা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত উমর খালিদ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর রাজনৈতিক পছন্দ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও সৌরভ দাস একাধিকবার স্পষ্ট করেছেন যে কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি নিজেকে একজন স্বাধীন সাংবাদিক ও সমাজকর্মী হিসেবে বিবেচনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *