নতুন হেয়ারস্টাইলেই কি খুলল ডার্বির গোলের ভাগ্য? হাসতে হাসতে সাহাল বললেন…
অন্যদিকে প্রথম ডার্বি জিতে খুশি হলেও পুরো সন্তুষ্ট নন কোচ দিলমপেরিসও। তিনি স্বীকার করেছেন, ম্যাচের শেষের দিকে দল ছন্দ হারিয়ে ফেলেছিল। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে ইস্টবেঙ্গল ম্যাচে ফিরে আসার সুযোগ পেয়েছিল। তবুও মরশুমের শুরুতে এই জয় দলের আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়াবে বলেই মনে করছেন তিনি। বলেন, ‘জয়টা গুরুত্বপূর্ণ, তবে আমাদের খেলায় এখনও অনেক উন্নতি করতে হবে। আমরা এই ম্যাচ মোটেও ভালো খেলতে পারিনি।’
FAQ
প্রশ্ন: ডার্বির জয়সূচক গোল কাকে উৎসর্গ করেছেন সাহাল?
উত্তর: নিজের স্ত্রীকে। সাহালের কথায়, গত তিন বছর ধরে তাঁর স্ত্রী সব সময় পাশে থেকেছেন এবং তাঁকে সমর্থন করেছেন।
প্রশ্ন: নতুন হেয়ারস্টাইল নিয়ে কী বলেছেন তিনি?
উত্তর: সাহাল জানিয়েছেন, তিনি কোনও বিশেষ কারণ ভেবে হেয়ারস্টাইল বদলাননি। যখন যা ভালো লাগে, সেটাই করেন।
প্রশ্ন: পেনাল্টি বিতর্কে তাঁর মত কী?
উত্তর: তাঁর মনে হয়েছিল হ্যান্ডবল হয়েছিল, তবে রেফারি অন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাই বিষয়টি নিয়ে আর মন্তব্য করতে চাননি।
প্রশ্ন: নতুন কোচের দর্শন সম্পর্কে কী বললেন সাহাল?
উত্তর: কোচ দলের মধ্যে এমন মানসিকতা গড়ে তুলতে চাইছেন, যাতে প্রতিটি ম্যাচকেই ডার্বির মতো গুরুত্ব দেওয়া হয়।
প্রশ্ন: ডার্বি জিতেও কেন পুরো খুশি নন সাহাল?
উত্তর: তাঁর মতে, দল ও তিনি নিজে আরও ভালো ফুটবল খেলতে পারেন। এখনও উন্নতির অনেক জায়গা রয়েছে।
ডার্বির ইতিহাসে অনেক গোল এসেছে, অনেক নায়ক তৈরি হয়েছে। কিন্তু সব গোলের পিছনে শুধু ফুটবল থাকে না, থাকে কিছু ব্যক্তিগত গল্পও। সাহালের গোলের গল্পটাও তেমনই। একদিকে ডার্বি জয়ের উল্লাস, অন্যদিকে স্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতার আবেগ। আর সেই দুইয়ের মাঝখানে দাঁড়িয়ে মোহনবাগান পেল মরশুমের প্রথম বড় জয়, আর সাহাল লিখলেন নিজের ডার্বি-অধ্যায়ের এক স্মরণীয় অধ্যায়।