দেউলটির ‘শরৎ কুঠি’ নিয়ে বড় দাবি বিধানসভায়
FAQ
১. দেউলটির ‘শরৎ কুঠি’র ঐতিহাসিক গুরুত্ব কী?
কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর জীবনের শেষ ১২ বছর দেউলটির সামতাবেড় গ্রামের এই বাড়িতে কাটিয়েছিলেন। এখানে বসেই তিনি ‘দেবদাস’, ‘দেনা-পাওনা’, ‘মহেশ’ ও ‘রামের সুমতি’-র মতো বিখ্যাত উপন্যাস লেখেন। এছাড়া এটি স্বাধীনতা সংগ্রাামে বিপ্লবীদের গোপন আস্তানা ছিল।
২. বিধানসভায় বিধায়ক অমিত সামন্ত ঠিক কী কী প্রস্তাব দিয়েছেন?
তিনি ‘শরৎ কুঠি’কে বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা, এখানকার ঐতিহ্যবাহী শরৎ মেলাকে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের মাধ্যমে নতুন রূপ দেওয়া এবং হুগলি থেকে দেউলটি পর্যন্ত শোভাযাত্রার আয়োজন করার প্রস্তাব দিয়েছেন।
৩. এই শরৎ কুঠিটি দেখতে কেমন এবং এটি কবে হেরিটেজ স্বীকৃতি পায়?
বাড়িটি মিয়ানমারের (বার্মা) স্থাপত্যের আদলে রূপনারায়ণ নদীর তীরে তৈরি। ১৯৭৮ সালের বন্যায় বাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর, ২০০১ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার এটিকে ‘হেরিটেজ’ হিসেবে ঘোষণা করে।