বাঙালির উন্নতি নয়, শুধু বিজেপি বিরোধিতায় পথে ছিল বাংলাপক্ষ! - 24 Ghanta Bangla News
Home

বাঙালির উন্নতি নয়, শুধু বিজেপি বিরোধিতায় পথে ছিল বাংলাপক্ষ!

Spread the love

বাংলাপক্ষ সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অবস্থান, দিল্লির আন্দোলনে অংশগ্রহণ এবং বিজেপি বিরোধিতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে নতুন করে বিতর্ক ও প্রশ্ন উঠছে।

শিবসেনার মতো বাঘের মুখ আঁকা পতাকা। মারাঠাদের মতো বাঙালির পক্ষে হুঙ্কার। শিক্ষা কিংবা কর্মক্ষেত্রে বাঙালিদের অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবিতে আন্দোলন। ২০১৮ থেকে বাংলাপক্ষের এমন নানা কীর্তি সামনে এসেছে। কিন্তু ২০২৬ সালের ৪ মে থেকে সব হাওয়া। বাংলাপক্ষ (Bangla Pokkho) ফেসবুক পেজও দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু নেতারা ময়দানে আছেন। বাঙালির পক্ষ নিয়ে নয়, বিজেপির বিরোধিতায়।

বাংলাপক্ষ স্লোগান দিয়েছিল জয় বাংলা। সেটাই পরে তৃণমূলের স্লোগান হয়ে যায়। বাংলাপক্ষের গায়েও তৃণমূলের বি-টিম তকমা লাগে। যার ভূরি ভূরি প্রমাণ আছে। অবাঙালির হাতে বাঙালি আক্রান্ত হলে তারা সরব হতো। কিন্তু সেই অবাঙালি হামলাকারী তৃণমূলের হলে বাংলাপক্ষর চুপ থাকার নজির আছে। বাংলাপক্ষ ছেড়ে কেউ কেউ আক্ষেপ করে বলেছিলেন, সংগঠনের শীর্ষ নেতারা শুধু সংবাদমাধ্যমে টিকে থাকতে আন্দোলন করে।

২০১৮ থেকে নানাভাবে আলোচনায় এসেছে বাংলাপক্ষ। বিজেপি বিরোধিতায় একেবারে সামনের সারিতে ছিল। বঙ্গে বদলের পর বাংলাপক্ষ না থাকলেও নেতারা আছেন। আর আছে তাঁদের বিজেপি বিরোধিতা। এখন তাঁদের নদর দিল্লিতে। বাংলা নিয়ে মাতামাতি নেই। দিল্লির যন্তর মন্তরের আন্দোলনের পাশে বাংলাপক্ষর যোদ্ধারা। প্রশ্ন ফাঁসের ইস্যু সামনে থাকলেও সেখানে কাশ্মীরে ৩৭০ ফেরানোর মতো নানা দাবি উঠেছে। যেগুলো টুকরে গ্যাং বা বামেরা তুলে থাকে।

দিল্লির আন্দোলন নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে তেমন প্রভাব পড়েনি। এ নিয়েও বাংলাপক্ষের নেতাদের ক্ষোভ। ‘ভাবনায় ভারতের থেকে পশ্চিমবঙ্গ পিছিয়ে’ বলে আক্ষেপ করছেন বাংলাপক্ষর শীর্ষ নেতা। সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে অনন্ত মহারাজের মন্তব্যকে অস্ত্র করে সুর চড়াচ্ছে বাংলাপক্ষ। প্রচার করছে, ‘সুভাষচন্দ্র বসুর শত্রু মানেই আমার শত্রু’। কিন্তু তৃণমূলের একাংশ সুভাষচন্দ্র বসুর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বড় নেতা বলে দাবি করলে বাংলাপক্ষকে সরব হতে দেখা যায় না।

দিল্লির আরশোলাদের আন্দোলনের পাশে আছে কংগ্রেস। রাহুল গান্ধীকে চ্যাংদোলা করে তুলে নিয়ে যাওয়ার সমালোচনা করে বাংলাপক্ষর নেতারা। এই কংগ্রেসের সঙ্গেই তো সুভাষচন্দ্র বসুর বিরোধ ছিল। রাহুল গান্ধীর পূর্বপুরুষই তো সুভাষ বসুর বিপক্ষে ছিলেন। এ নিয়ে বাংলাপক্ষ চুপ থাকে। এই সংগঠনের শীর্ষ নেতার পূর্ব পুরুষ স্বাধীনতার আগে কংগ্রেসের নেতা ছিলেন। অর্থাৎ সুভাষ বসু বিরুদ্ধে ছিলেন। এসব নিয়ে প্রশ্ন করা যায় না। করলেই বিজেপি দালাল। কিংবা জাতির শত্রু বলে গালি ধেয়ে আসে।

এভাবেই বিজেপির বিরুদ্ধে কোমর বেঁধে ময়দানে বাংলাপক্ষের নেতারা। বাঙালিয়ানা আর নেই। বাঙালির পক্ষে কোনও সওয়াল নেই। শুধু বিজেপি বিরোধিতা আছে। এতেই প্রশ্ন, এতদিনের আন্দোলন কি শুধুই বিজেপি বিরোধিতা ছিল? বিজেপিকে ঠেকাতে তৃণমূলের চুরিতে মদত দিয়েছিল বাংলাপক্ষ? সেই কারণেই কি মাছ-ভাত নিয়ে প্রচার শুরু হয়েছিল? বাংলা ও বাঙালিকে ঢাল করে আরও একবার চোরের দলকে ক্ষমতায় বসানোর ছক কষেছিল বাংলাপক্ষ?

Also Read | সন্ত্রাসবাদ অর্থায়নে ফের নজরে বাংলা! কালিকাপুরের মাদ্রাসা থেকে উদ্ধার ৪০লক্ষ নগদ-১৮০ গ্রামের সোনার মুদ্রা

Also Read |  পরের স্টেশন মোহনবাগান! মাঠের গণ্ডি ছাড়িয়ে মেট্রোর মানচিত্রে শতাব্দীপ্রাচীন ক্লাব

Also Read | কংগ্রেসের কারণে কলকাতা ছাড়েন তসলিমা! বিস্ফোরক তৎকালীন শরিক সিপিএম নেতা

Also Read | IRCTC-এর ৯ দিনের তীর্থযাত্রা ট্রেন: জ্যোতির্লিঙ্গ থেকে দ্বারকা-অক্ষরধাম, ভাড়া ও রুট জানুন

Also Read | মিরিক লেককে আরও সুন্দর করতে ১০০কোটির পর্যটন প্রকল্প শুভেন্দু সরকারের

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *