CM Suvendu Adhikari: ‘মেধা, যোগ্যতাই চাকরি পাওয়ার একমাত্র মাপকাঠি’, SSC নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর | CM Suvendu Adhikari Appoints Dushyant Nariala as SSC Chairman, Promises Transparent Teacher Recruitment
স্কুল সার্ভিস কমিশন নিয়ে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী?Image Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: তৃণমূল আমলে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এমনকি, নিয়োগ দুর্নীতির জেরে ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের পুরো প্যানেল বাতিল করে সুপ্রিম কোর্ট। চাকরি হারান প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী। বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পিছনে নিয়োগ দুর্নীতিও অন্যতম কারণ। তাই, বিজেপি ভোটের প্রচারে বারবার তুলে ধরেছিল, ক্ষমতায় এলে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ হবে। এবার সেই বার্তাই দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নিয়োগ পরীক্ষায় সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা আনাতে শনিবার বড় সিদ্ধান্তের কথা জানালেন তিনি। এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে জানালেন, আইএএস দুষ্মন্ত নারিয়ালাকে স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) চেয়ারম্যান করা হল।
সোশ্যাল মিডিয়ায় কী লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী?
এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু লেখেন, ‘রাজ্যবাসীর কাছে আমাদের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ছিল যে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা আনা হবে এবং নিয়োগ কমিশনগুলোকে রাজনীতিক সংস্পর্শ থেকে মুক্ত রেখে ইউপিএসসি (UPSC)-র মডেলের ধাঁচে ঢেলে সাজানো হবে। সেই মতো অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায় যখন শূন্য পদে নিয়োগের কথা ঘোষণা করা হয়, তখনই আমরা কথা দিয়েছিলাম যে নিয়োগ সংক্রান্ত কোনও কমিটিতেই কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব থাকবেন না। আমাদের সরকার সেই প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে পালনে বদ্ধপরিকর।’
এরপরই তিনি জানান, ‘সেই লক্ষ্য পূরণে আজ আমরা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছি। পশ্চিমবঙ্গ সেন্ট্রাল স্কুল সার্ভিস কমিশনের (WBCSSC) নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা সুনিশ্চিত করতে রাজ্যের অত্যন্ত অভিজ্ঞ এবং বরিষ্ঠ আইএএস (IAS) আধিকারিক দুষ্মন্ত নারিয়ালা (Dushyant Nariala) কে কমিশনের চেয়ারম্যান পদের দায়িত্ব দেওয়া হল।’
নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মাপকাঠি কী হবে, তা জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, ‘মেধা এবং যোগ্যতাই হবে চাকরি পাওয়ার একমাত্র মাপকাঠি। অতীতের দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের আমলে যে অন্যায় হয়েছে বা প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির যে দৃষ্টান্ত স্থাপন হয়েছে, তার কোনও স্থান এই নতুন পশ্চিমবঙ্গে নেই। যোগ্য মেধাবী চাকরিপ্রার্থীদের অধিকার সুরক্ষিত করা এবং তাদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়াই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। যুবসমাজের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে আমাদের এই প্রচেষ্টা জারি থাকবে।’