Kalyan Banerjee: এই দুর্গাপুজোয় আর হাউ হাউ করে কাঁদতে দেখা যাবে না কল্যাণকে, কেন? | BJP Joins Serampore RMS Ground Durga Puja, Kalyan Banerjee's Long Associated Festival Takes a New Turn - 24 Ghanta Bangla News
Home

Kalyan Banerjee: এই দুর্গাপুজোয় আর হাউ হাউ করে কাঁদতে দেখা যাবে না কল্যাণকে, কেন? | BJP Joins Serampore RMS Ground Durga Puja, Kalyan Banerjee’s Long Associated Festival Takes a New Turn

Spread the love

এই দুর্গাপুজোয় প্রতি বছর সন্ধি পুজোর সময় হাউ হাউ করে কাঁদতে দেখা যেত কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কেImage Credit: TV9 Bangla

শ্রীরামপুর: সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুজো হিসেবেই পরিচিত ছিল এতদিন। সন্ধি পুজোর সময় প্রতি বছর হাউ হাউ করে কাঁদতে দেখা যেত শ্রীরামপুরের সাংসদকে। এ বছর থেকে সেই দৃশ্য আর না দেখা যেতে পারে শ্রীরামপুর আরএমএস মাঠের দুর্গাপুজোয়। রাজ্যে পালাবদলের পর এই পুজোয় এবার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে হাত মেলাল বিজেপি। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের উপস্থিতিতে শুক্রবার হল খুঁটিপুজো। যদি পুজো দখলের অভিযোগ উড়িয়ে দিল গেরুয়া শিবির। 

শ্রীরামপুর আরএমএস মাঠে ৫ ও ৬-র পল্লী গোষ্ঠী ব্যবসায়ী সমিতি এই দুর্গাপুজো করে। দীর্ঘ দেড় দশক সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পৃষ্ঠপোষকতায় সন্তোষ সিংরা এই পুজো করতেন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন এই পুজোর সভাপতি। আর সন্তোষ (পাপ্পু) সিং ছিলেন সম্পাদক। প্রত্যেক বছর রথযাত্রার দিন ঢাক কাঁসর বাজিয়ে হত খুঁটি পুজো। পুজোর বাজেট ছুঁয়ে যেত কোটি টাকায়।

এবার রথযাত্রার দিন খুঁটি পুজো হয়নি। পুজো নিয়ে কোনও উদ্যোগও দেখা যায়নি। এদিন উল্টো রথে খুঁটি পুজো হল। শ্রীরামপুরের স্থানীয় বিজেপি নেতা কর্মীরা খুঁটি পুজোয় উপস্থিত ছিলেন। ঢাক শঙ্খ বাজিয়ে খুঁটি পুজোর অনুষ্ঠান হল। স্থানীয় বিজেপি নেতা অমিতাভ ঘোষ, স্বপন চক্রবর্তীরা জানান, পুজোর দখল নেয়নি বিজেপি। যারা পুজো করত, তাদের আর দেখা যাচ্ছে না। তাই বহু পুরোনো এই পুজো যাতে বন্ধ না হয়ে যায়, সেই কারণে তাঁরা এগিয়ে এসেছেন।

বিজেপি নেতা অমিতাভ ঘোষ বলেন, “অনেকের ধারণা, বিজেপি পুজো দখল করছে। এটা একদম ঠিক নয়। বিজেপি দখলদারির রাজনীতি করে না। আমরা দেখেছিলাম, এখানকার ব্যবসায়ীরা বিপদের মধ্যে রয়েছেন। যে সাংসদ পুজোয় উদ্যোগ নিতেন, তিনি করতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন। এবং পুজো কমিটির বর্তমান সেক্রেটারিও বিষয়টি নিয়ে গা দেননি। ব্যবসায়ীরা বিপদে পড়েছেন বলেই আমরা এগিয়ে এসেছি সহযোগিতার জন্য। এটা বিজেপি দখল করছে না। আমরা ব্যবসায়ীদের নিয়ে পুজো করব। কতটা চাঁদা তুলে পুজো করতে পারব, সেটা আলোচনা করে ঠিক হবে।”

প্রতি বছর কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সন্ধি পুজোয় আরতি করে হাউ হাউ করে কেঁদে ভাসাতেন। এই নিয়ে অমিতাভ ঘোষ বলেন, “সাংসদ যে কান্নাকাটি করতেন, তিনি ভক্তিতে করতেন। তাঁকে ছোট করব না। করুন কান্নাকাটি। সেটা তাঁর বিষয়। তিনি আসতে পারেন। পুজো দিন। কোনও অসুবিধা নেই। পুজো সবার। সবার আসার অধিকার রয়েছে।”

কী বলছেন সন্তোষ সিং?

কল্যাণ ঘনিষ্ঠ সন্তোষ সিং বলেন, “পুজো করার জন্য আমরা মিটিং ডেকেছিলাম আগামিকাল। তার আগেই দেখলাম খুঁটি পুজো হচ্ছে।” তৃণমূল কখনও পুজোর দখল নেয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, “২০১০ সালে ওখানে একটা ব্যানার টাঙিয়েছিলেন ব্যবসায়ীরা। পুজো বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন। তারপরই আমাদের একজন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিষয়টি জানান। তখন দাদা (কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়) আমাকে বিষয়টি দেখতে বলেন। ব্যবসায়ীরা বন্ধ করে দিয়েছিল। আমরা সেই পুজো দায়িত্ব নিয়ে করেছিলাম। পুজো সবার। মায়ের ভাগ হয় না।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *