তাঁর ভাঙা কুঠির সামনে আজও সন্ধ্যাপ্রদীপ জ্বলে
শুটিংয়ের জন্য প্রায় ছ’মাস ধরে ভাঙাতুষখালিতে তৈরি হয় ৪০টি কাঠের ঘর। বানানো হয় বাজার, রাধাগোবিন্দের মন্দির, স্কুল, থানা, জমিদার বাড়ি। দু’মাসের উপরে শুটিং হয়। রামপুরা নদীর ধারে শাল গাছের খুঁটি, গোলপাতার ছাউনি দেওয়া কাঠের বাংলোয় থাকতেন মহানায়ক। শিল্পীদের জন্য কলকাতা থেকে রান্নার লোক আনা হয়েছিল। সে বার মহানায়কের ডাকে সাড়া দিয়ে কেউ কেউ অমানুষ ছবিতে অভিনয়ও করেছিলেন। পরিমল মাঝি, বিন্দুবালাদেবীরা বাঁধ ভাঙার দৃশ্য, বাজারের মধ্যে মারামারির শুটিংয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ৩০ টাকা রোজ এবং দু’বেলা খাওয়ার বিনিময়ে সিনেমায় কাজ করেছিলেন কাছারিপাড়ার ফজলুল হক, ময়না দাস। সেই ময়না এখন বৃদ্ধা। বলছেন, ‘উত্তমবাবু সকলের সঙ্গে মিশতেন, কথা বলতেন। একবার বলেছিলাম ছেলেকে একটু ধরবেন? ছবি তুলব। কোনও রকম কুণ্ঠা না করে মহানায়ক ছেলেকে কোলে তুলে নিয়ে আদর করেছিলেন।’