Nabanna: ১ বছরে ৩ গুণ বেশি! রাজ্যের এই জায়গাগুলোতেই তৈরি হয়েছে সবচেয়ে বেশি 'জাল সার্টিফিকেট' | Fake Birth & Death Certificates Exposed in West Bengal: 25% Found Bogus in Three Border Districts - 24 Ghanta Bangla News
Home

Nabanna: ১ বছরে ৩ গুণ বেশি! রাজ্যের এই জায়গাগুলোতেই তৈরি হয়েছে সবচেয়ে বেশি ‘জাল সার্টিফিকেট’ | Fake Birth & Death Certificates Exposed in West Bengal: 25% Found Bogus in Three Border Districts

Spread the love

কলকাতা পুরসভায় তদন্তকারীরাImage Credit: TV9 Bangla

কলকাতা: তৃণমূল জমানায় জন্ম মৃত্যুর সার্টিফিকেট জালিয়াতির বিস্ফোরক তথ্য সামনে এসেছে। সীমান্তবর্তী তিনটি জেলায়, সেখানে প্রায় ২৫ শতাংশ জন্ম মৃত্যুর সার্টিফিকেট ভুয়ো। নথি যাচাই করে রাজ্য সরকারের হাতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য এসেছে। এসআইআর চলাকালীন, এই তিন জেলার মধ্যে মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুর ও  মালদহে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। মুর্শিদাবাদে ২ লক্ষ ৪০ হাজার, উত্তর দিনাজপুরে ১ লক্ষ ৫৩ হাজার, মালদহে ১ লক্ষ ৪৮ হাজার সার্টিফিকেট স্ক্যানারে রয়েছে সরকারের। এসআইআর চলাকালীন রাজ্যে লাফিয়ে বেড়েছে জন্ম সার্টিফিকেট ইস্যুর সংখ্যা।

পরিসংখ্যান বলছে, ১ বছরে তিন গুণ বেশি সার্টিফিকেট ইস্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিভিন্ন পৌরসভা-পুরনিগমে জন্মমৃত্যু শংসাপত্র যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। পরিসংখ্যান দেখে বোঝা যাচ্ছে, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতেও সবথেকে বেশি সংখ্যক জন্ম মৃত্যুর সার্টিফিকেট ইস্যু হয়েছে। সার্টিফিকেট ইস্যুতে জালিয়াতি রুখতে এবার থেকে আর পঞ্চায়েত প্রধানদের হাতে ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে না। সরকারি আধিকারিকরা এই সার্টিফিকেট ইস্যু করবেন। এই নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করবে সরকার।

কেবল জেলায় নয়, গার্ডেনরিচ, রাজাবাজার, মেটিয়াবুরুজ থেকে তিলজলা-কলকাতাতেও একাধিক জায়গায় এসআইআর-এর পাঁচ মাসে বিপুল হারে জন্মের শংসাপত্র ইস্যু হয়েছে।

জালিয়াতির শিকড়ের খোঁজে তদন্তে প্রশাসন। রাজ্য সরকারের নির্দেশের পরই অ্যাকশনে পুলিশ। কলকাতা, হাওড়া, বাদুড়িয়া-সহ রাজ্যের একাধিক পুরসভা-রাজ্যের বিভিন্ন পঞ্চায়েতে হানা দিয়েছেন তদন্তকারীরা। বিভিন্ন জেলায় পুরসভার রেজিস্ট্রার যাচাই করা হচ্ছে। শিলিগুড়ি পুরসভায় খতিয়ে দেখা হয় ৭০ বছরের রেকর্ডও। দুর্নীতির  শিকড় খুঁজতে তদন্তকারীরা হানা দিয়েছেন কেওড়াতলা মহাশ্মশানেও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *