বঙ্গে বহুমুখী কর্মসংস্থান হবে, আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর
এই সময়: কর্মসংস্থান নিয়ে বিগত তৃণমূল সরকারকে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার আলিপুরের ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে ‘রোজগার মেলা’য় মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, চাকরি ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে রাজ্যকে বদনাম করে গিয়েছে আগের সরকার। তাঁরা সেই হৃতগৌরব ফেরানোর চেষ্টা করছেন। আগামী দিনে রাজ্যে ‘বহুমুখী কর্মসংস্থান’ হবে বলে শুভেন্দুর আশ্বাস। আর প্রশিক্ষণ না দিয়ে শুধু টাকার বিনিময়ে যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি সার্টিফিকেট বিক্রি করছে, ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।
রাজ্যের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কর্মমুখী কোর্সের পাঠ নেওয়া ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের দেশের নানা সংস্থায় চাকরির ব্যবস্থা করা হয় এ দিন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল-সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সচিবরা।
তৃণমূল জমানাকে বিঁধে শুভেন্দু জানান, এতদিন শিল্প আসেনি বলে অনুসারী শিল্পও হয়নি। এমএসএমই সেক্টর উপেক্ষিত হয়েছে। খাদ্য প্রক্রিয়াকরণে বিরাট সুযোগ রয়েছে বাংলায়। কিন্তু আগের সরকারের আমলে সবই উপেক্ষিত থেকেছে বলে মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ। শুভেন্দু জানান, বাংলার মতো মানবসম্পদ আর কোথাও নেই। ‘রোজগার মেলা’য় তিনি জানান, এ দিন বিধানসভায় ঠাসা কর্মসূচি থাকা সত্ত্বেও শুধু নবীন প্রজন্মের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ হারাবেন না বলে সেখানে এসেছেন। তরুণদের ‘বিকশিত ভারতের নেতা’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সিএম বলেন, ‘শুধু পুঁথিগত বিদ্যা নয়, হাই স্কিল ও সেমি স্কিলের উন্নতিতেও নজর দিচ্ছে সরকার। এ জন্য রাজ্যে আরও বেশি করে কারিগরি প্রতিষ্ঠান তৈরি হবে।’ এ বাদে রাজ্যের পলিটেকনিক কেন্দ্রগুলির দক্ষতাও বাড়ানো হবে। শুভেন্দু জানান, বেশ কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ওই প্রতিষ্ঠানগুলির নীতি হলো, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নাও, সার্টিফিকেট দিয়ে বাড়ি পাঠাও। কিন্তু আর এ সব হবে না।’