বিশ্বকাপ হেরেও পরাজিত নন মেসি, অভিজ্ঞতা শেয়ার IFA সচিবের
আমি আইএফএর সচিব। আমাদেরও ম্যাচ আয়োজন করতে হয়। মোহনবাগান–ইস্টবেঙ্গল ম্যাচ করতে হয়। এখানে এসে বুঝলাম, তফাৎ কতটা! এত সুন্দর এবং নিখুঁত আয়োজন, ভাবাই যায় না! একজন সমর্থক বাড়ি থেকে বেরিয়ে, মধ্যরাতে বাড়ি ফেরা পর্যন্ত পুরো দায়িত্ব যেন আয়োজকদের। প্রতিটা পদক্ষেপে স্বেচ্ছাসেবকরা দাঁড়িয়ে। কোথায় যেতে হবে, কোনদিকে যেতে হবে, মেট্রোতে কোন স্টেশন কোথায়, সব হাতে ধরে হাসি মুখে দেখিয়ে দিচ্ছেন। স্টেডিয়ামের ভিতরে বাইরেও কী সুন্দর ব্যবস্থা। অজস্র টয়লেট। যেটা মাঠের দর্শকদের জন্য খুব জরুরি। আমার সঙ্গে যিনি ছিলেন, তাঁকে হুইলচেয়ারে চলাফেরা করতে হয়। এখানে একেবারে স্টেডিয়ামের বাইরে থেকে গ্যালারি পর্যন্ত পুরোটা হুইলচেয়ারে বসিয়ে যাওয়া–আসা করালেন স্বেচ্ছাসেবকরা। আমরা তো ভাবতেই পারি না এ সব।
আবার মেসিতেই ফিরি। আমি কিন্তু সেই লোক, যে আর্জেন্তিনার ক্যাপ্টেন হিসেবে মেসির প্রথম ম্যাচ দেখেছি, কলকাতায় ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে। বিশ্বকাপেও ক্যাপ্টেন মেসির শেষ ম্যাচ দেখে ফেললাম!
এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে!
(লেখক আইএফএ সচিব)