Suvendu Adhikari: বিদ্যুৎ চুরি রুখতে 'বিদ্যুৎ প্রহরী' অ্যাপ আনল রাজ্য | Suvendu Adhikari comment on power supply of west bengal - 24 Ghanta Bangla News
Home

Suvendu Adhikari: বিদ্যুৎ চুরি রুখতে ‘বিদ্যুৎ প্রহরী’ অ্যাপ আনল রাজ্য | Suvendu Adhikari comment on power supply of west bengal

Spread the love

শুভেন্দু অধিকারী, মুখ্যমন্ত্রী
Image Credit: Tv9 Bangla

বিদ্যুৎ চুরি রুখতে বিশেষ অ্যাপ তৈরি করল রাজ্য। বিদ্যুৎ প্রহরী অ্যাপ উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই অ্যাপে অভিযোগ জানানো যাবে বিদ্যুৎ চুরি ও হুকিংয়ের বিষয়ে। এ দিন, বিদ্যুৎ দফতরে এসে কর্মীদের বললেন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিদ্যুৎমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বলেন, “ভয় মুক্ত পরিবেশে আমায় সমস্যার কথা বলুন।”

শুভেন্দু কী কী বললেন একনজরে 

  1. শুভেন্দু অধিকারী: হুকিং জিরো, কোনও বিজেপির লোক ফোন করবে না। কাটতে থাকুন, বকেয়া বিল জিরো টলারেন্স, যেভাবে পারেন আদায় করুন। সব থেকে বেশি ফাঁকি দিচ্ছে নেতাদের প্রতিষ্ঠান। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর লাইন কেটেছেন। পূর্ব মেদিনীপুর ও মালদহে বড় নেতা। স্পর্শ করতে দেয়নি।  ডোমেস্টিকের ক্ষেত্রে নোটিস দিয়ে বলে জানিয়ে। স্মার্ট মিটারের ক্ষেত্রেও তাই। একটা মিস-কনসেপশন আছে। বামেরা বেশি করে। ত্রিপুরাতেও হয়ে গেছে। আলোচনার মাধ্যমে ধীরে ধীরে এগোনো। আজেবাজে বিল আসে না। একটা ব্যবস্থা থাকলে আস্তে-আস্তে হয়ে যাবে। ধীরে ধীরে স্মার্ট মিটার করা। প্রধানমন্ত্রী সূর্যঘর প্রকল্প এবার বাংলায় শুরু হবে।
  2. শুভেন্দু অধিকারী: হাইস্কুলের বাচ্চাদের মিডডে মিলের বরাদ্দ ১০ টাকা। প্রাইমারির বাচ্চাদের ৬টাকা। আমরা বললাম না হবে না। ওদেরও ১০ টাকা বরাদ্দ হোক। যদি কেন্দ্র সরকার না দেয় আমরাই দেব। এটা ছোট্ট কাজ। ২০১৭ সালে হাসপাতালে তিন বেলা খাবারের রেট ছিল ৫৬ টাকা ৪০ পয়সা। তখন রিভিউ হয়। আমি পিজিতে গেছিলাম তখন। রোগী বলছে, সকালে-দুপুরে কুমড়ো। আমি প্রশ্ন করলাম কেন? এই কম টাকায় কীভাবে দেব? সঙ্গ সঙ্গে ওটারে ১১০টাকা করলাম। ছোট ছোট কাজ এগুলো। নিচের তলায় যাঁরা মিটার রিডিং করছেন তাঁদের কথা ভাবতে হবে। তাঁরাও সংসার চালায়। রাজ্যের সঙ্গে কেন্দ্রের গ্যাপ ধীরে ধীরে মেটাব। আপনারা ভেবেছিলেন ৪২ শতাংশই হয়ত দিয়ে দেব। আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ১০ শতাংশ বলা হচ্ছিল। ৪২ বা ১০ কোনওটাই দিইনি। হিসাব করে দিয়েছি। আগামী দিনে মেকআপ করলাম। এই দফতরে ভয় ভীতি কাটিয়ে মন খুলে কাজ করুন।
  3. শুভেন্দু অধিকারী: ২০১৫ সালে অভিরূপ সরকারের কমিটি হয়। আমি ২০১৬তে আমি মন্ত্রী হই। আমি ২০১৯-এ সেই সিএম-কে বলেছিলাম আপনি এতদিন পে কমিশন, উনি বলেছিলেন, অর্থমন্ত্রী বলছেন কমিশনের রিপোর্ট তৈরি নেই। আমি বলেছিলাম, অর্থমন্ত্রী ভুল কথা বলছেন। কমিশনের চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসা করুন। উনি জিজ্ঞাসা করেন আমার সামনেই। তখন কমিশনার বলেন, অর্থমন্ত্রী বলেছেন রিপোর্ট জমা দিতে না, টাকা নেই। আমি বললাম, এটা দিয়ে দিন। সেই ২০২০-তে ষষ্ঠ পে কমিশন আপনারা পান। তবে ডিএ তুলে দেয়। পরে সুপ্রিম লড়াই হয়ই। পিছনে আমারও ছোটখাট রোল ছিল। আর বাকি যাঁরা থার্ড পার্টি থেকে টাকা পান তাঁদেরও দেখছি।
  4. শুভেন্দু অধিকারী: নিয়োগ নিয়ে খুব বদনাম হয়ে গেছে রাজ্যের। বিদ্যুৎ দফতরে ট্রান্সফার থাকা উচিত। আপনারা SSC- আন্ডার প্রসেস PSC। কোনও রাজনৈতিক লোক থাকবে না। মেধা যুক্ত লোকজন নিয়োগ করব। আমি ৩৪ বছর ধরে ময়দানে আছি। অনেক কিছু হয়েছি।
  5. শুভেন্দু অধিকারী: ইঞ্জিনিয়রের পোস্ট ফাঁকা, থার্ড পার্টি দিয়ে বিদ্যুৎ দফতর চলছে। আমাদের মেধা যুক্ত ইঞ্জিনিয়ার দরকার। গতবছর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে গুলোতে ৩০ শতাংশ ছেলে মেয়ে মুখ ঘোরায়। এবার ডাটা দেখলাম। পুরো ভর্তি। তাহলে ওরা ভাবছে যে নিয়োগ হবে। আগে বাবা-মা বলত, পড়ো লেখো। ল্যাপটপের দাম বেশি। তাই মুখ ফেরাত। আমরা চাই ভ্যাকেন্সি ফুল করতে।
  6. শুভেন্দু অধিকারী: আন্ডার গ্রাউন্ড কেবিল বোধহয় পশ্চিমবঙ্গে সব থেকে কম আছে। আমি সরকারের সঙ্গে কথা বলব। বিদ্যুৎ দফতরের মতো অনেক দফতর ওভারলুক হয়েছে। তাই অর্ধেক কাজ হয়ে রয়েছে। এই কাজ করা আমার কর্তব্য।
  7. শুভেন্দু অধিকারী: সাব স্টেশন করা যেখানে করা হয়নি, দ্রুত করুন। এ রাজ্যে শিল্পে ভাল ক্ষরা চলছে। এখানে বিদ্যুৎ উদবৃত্ত থাকার পরও সাবস্টেশন করা হয়নি। এর জন্য লো-ভোল্টেজ, বিদ্যুৎ না ঘাটতি থাকলেও বাম জমানোর পুরোনো শব্দ লোডশেডিং হচ্ছে। এটা ভাল কথা নয়। চেয়ার তো একই, ব্যক্তি রঙ, বিচারেরে পরিবর্তন হয়। কিন্তু এই দফতরকে নিজের পরিবারকে ভালবাসুন।
  8. শুভেন্দু অধিকারী: বিবেকানন্দের জন্মস্থান সিমলা। সেখানে ৫ কোটি টাকা দিয়েছে এই দফতর। এটা একটা বাড়ি নয়, ওইখানে যিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি ভারতকে সর্বোচ্চ জায়গায় নিয়ে গেছে। আমি ইলেভেনে পড়ার সময় যাই।
  9. শুভেন্দু অধিকারী: জরুরি পরিষেবার মধ্যে অন্যতম বিদ্যুৎ দফতর। কোনও ছুটির দিন, শনি-রবিবার থাকে না। যখন তখন কাজ করতে হয়। এই দফতরের সিনসিয়ারিটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। একটু ভুল-ত্রুটিতে অনেক বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কিছু হলে আধিকারিক, ইঞ্জিনিয়ার, সেই দফতরের মন্ত্রী কর্মদক্ষতার ক্ষেত্রে প্রশ্নচিহ্ন দেখা দিতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *