শমীক ভট্টাচার্যের সতর্কবার্তা! মাত্র ১৭ দিনেই ভেঙে পড়ল কামারহাটি পুরবোর্ড - 24 Ghanta Bangla News
Home

শমীক ভট্টাচার্যের সতর্কবার্তা! মাত্র ১৭ দিনেই ভেঙে পড়ল কামারহাটি পুরবোর্ড

Spread the love

কলকাতা: গঠনের মাত্র ১৭ দিনের মাথায় ভেঙে পড়ল কামারহাটি পুরসভার নতুন বোর্ড। মঙ্গলবার চেয়ারম্যান সুশান্ত চট্টোপাধ্যায় এবং ১৮ জন কাউন্সিলরের একযোগে পদত্যাগের জেরে কার্যত অচল…

কলকাতা: গঠনের মাত্র ১৭ দিনের মাথায় ভেঙে পড়ল কামারহাটি পুরসভার নতুন বোর্ড। মঙ্গলবার চেয়ারম্যান সুশান্ত চট্টোপাধ্যায় এবং ১৮ জন কাউন্সিলরের একযোগে পদত্যাগের জেরে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে পুরবোর্ড। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের কড়া অবস্থান এবং পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহই এই নাটকীয় পরিবর্তনের অন্যতম কারণ।

গত ৩ জুলাই কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন ওয়ার্ড ১৫-এর নির্দল কাউন্সিলর সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়। তিনি বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়ের ভাই। এর আগে ১২ জুন তৃণমূলের তৎকালীন চেয়ারম্যান গোপাল সাহা এবং আরও তিনজন তৃণমূল কাউন্সিলর পদত্যাগ করার পর নতুন বোর্ড গঠনের পথ তৈরি হয়।

যদিও বোর্ডে কোনও বিজেপি কাউন্সিলর ছিলেন না, রাজনৈতিক মহলে এই বোর্ডকে বিজেপির সমর্থনপুষ্ট বলেই মনে করা হচ্ছিল। সেই সময় বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বোর্ড গঠনের পুরো বিষয়টি নিয়ে রিপোর্ট তলব করেন এবং অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের পদক্ষেপ হলে দলীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সতর্কবার্তা দেন।

মঙ্গলবার দুপুরে সুশান্ত চট্টোপাধ্যায় ব্যারাকপুরের মহকুমাশাসকের (SDO) কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন। একইসঙ্গে ১৮ জন কাউন্সিলর ই-মেলের মাধ্যমে পুরসভায় তাঁদের পদত্যাগপত্র পাঠান।

পদত্যাগের পর সুশান্ত চট্টোপাধ্যায় দাবি করেন, কয়েকজন কাউন্সিলরকে ভয় দেখানো হয়েছিল যে তাঁরা পদত্যাগ না করলে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হবে। সম্ভাব্য আইনি জটিলতার আশঙ্কায় তাঁরা পদত্যাগ করেন। এরপর তিনিও চেয়ারম্যান এবং কাউন্সিলর—দুই পদ থেকেই ইস্তফা দেন।

অন্যদিকে, বিজেপির উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মৃণাল মুখোপাধ্যায় বলেন, বোর্ড গঠন এবং এত দ্রুত তা ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি তাঁর কাছেও স্পষ্ট নয়। তাঁর দাবি, এই বোর্ডের সঙ্গে বিজেপির কোনও সাংগঠনিক সম্পর্ক ছিল না এবং সেখানে বিজেপির কোনও কাউন্সিলরও ছিলেন না।

তিনি আরও বলেন, বোর্ড ভেঙে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ পুর পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। তাই দ্রুত একজন প্রশাসক নিয়োগের দাবি জানিয়েছে বিজেপি।

এদিকে এই ঘটনায় কামারহাটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়েছে। সম্প্রতি এলাকার বিধায়ক মদন মিত্র ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী তৃণমূল শিবিরে যোগ দেওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক শমীকরণ বদলাতে শুরু করেছিল। নতুন বোর্ডের পতনের পর সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *