পঙ্কজ, ভজনকে সামনে রেখে ঘুরে দাঁড়ানোর মরিয়া চেষ্টায় হাত শিবির
দেবাশিস দাস
এ যেন শিকড়ে ফেরার গান।
টালিগঞ্জ, যাদবপুরে কংগ্রেসের শক্তিক্ষয় শুরু হয়েছিল তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা হওয়া ইস্তক। যখন দলের স্থানীয় নেতা–কর্মীদের একটা বড় অংশ নিজেদের দলীয় কার্যালয় সমেত তৃণমূলে যোগ দেন। আর তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরে দলের শক্তি কার্যত তলানিতে ঠেকে উদ্বাস্তু কলোনি প্রভাবিত টালিগঞ্জ ও যাদবপুর এলাকায়। কংগ্রেসের পতাকা ধরা, দেওয়াল লেখার লোক ওই তল্লাটে গত দেড় দশকে খুঁজতে হয়েছে দূরবীন দিয়ে। তবে রাজ্যে এ বার রাজনৈতিক পালাবদলের পটভূমিকায়, তৃণমূল ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরে দক্ষিণ শহরতলির ওই দুই তল্লাটে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা কংগ্রেস শুরু করল প্রয়াত দুই নেতাকে সামনে রেখে। পঙ্কজ বন্দ্যোপাধ্যায় ও ভজন নাগ। কংগ্রেস ভেঙে তৃণমূল তৈরি হওয়ার পরে ওই দু’জনই অবশ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে যোগ দেন। টালিগঞ্জের মোট তিন বারের বিধায়ক পঙ্কজ শেষ বার, ২০০১ সালে জোড়াফুলের টিকিটেই নির্বাচিত হন এবং ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত তিনি ছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা।