ফুচকার জলে ক্ষতিকারক ব্যাক্টেরিয়া, নমুনা পরীক্ষা করেই চোখ কপালে স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্তাদের
চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, কলিফর্ম মিশ্রিত দূষিত জল পান করলে ডায়ারিয়া, বমি, পেটের সংক্রমণ, জ্বর, লিভারের সমস্যা–সহ বিভিন্ন ধরনের রোগ হতে পারে। বিশেষ করে শিশু ও প্রবীণদের ক্ষেত্রে সেটা অনেক সময় বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়ায়। জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর, সেই রিপোর্ট হাতে আসার পরই সংশ্লিষ্ট ফুচকা বিক্রেতাদের শুধুমাত্র মিনারেল ওয়াটার ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, আর পাঁচজন ব্যবসায়ীদের মতো ফুচকা বিক্রেতাদের খাদ্য সুরক্ষা আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে তাঁদেরকেও লাইসেন্স দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। অন্তত এমনটাই দাবি করেছেন খানাকুলের বিধায়ক। তিনি বলেন, ‘রিপোর্টটা দেখার পরে আমরা সবাই হতবাক হয়ে গিয়েছি। ফুচকা তথা পানিপুরিতে যে টক জল দেওয়া হচ্ছে, তার মধ্যেই বিপদ লুকিয়ে আছে। নমুনা পরীক্ষায় ভয়ঙ্কর সব ব্যাকটেরিয়ার সন্ধান মিলেছে। অথচ, যাঁরা ফুচকা খাচ্ছেন, তাঁরা কিছুই টের পাচ্ছেন না। তাই এ ব্যাপারে সতর্ক হওয়ার সময় এসেছে। যাঁরা ফুচকা বিক্রি করেন, তাঁরা খুবই গরিব মানুষ। তাঁদেরও সাবধান থাকা উচিত। আমি গরিব বলে বিষ বিক্রি করতে পারি না।’ তাঁর সাফ কথা, ‘নির্দিষ্ট নিয়মকানুন মেনেই ফুচকা বিক্রি করতে হবে। ফুচকার টক জল বানাতে হবে মিনারেল ওয়াটার দিয়েই।’ সেই সঙ্গে তাঁর আবেদন, ‘রাস্তার ধারে খাবার কেনার আগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং খাবার জলের মান সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। বিশেষ করে ছোট ছোট শিশুদের দূষিত জল খাওয়ানো থেকে বিরত থাকুন। সুস্থ থাকতে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য গ্রহণের অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।’