ধর্ষণের ঘটনায় মেটিয়াবুরুজে জিরো এফআইআর, তদন্তে বাঁশদ্রোণী থানা - 24 Ghanta Bangla News
Home

ধর্ষণের ঘটনায় মেটিয়াবুরুজে জিরো এফআইআর, তদন্তে বাঁশদ্রোণী থানা

Spread the love

এই সময়: শহরে ফের ধর্ষণের অভিযোগ। মেটিয়াবুরুজ থানায় জিরো এফআইআরের ভিত্তিতে ধর্ষণের মামলা রুজু হয়েছে বাঁশদ্রোণী থানায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক মহি‍লার সঙ্গে আলাপ হয় অভিযুক্ত যুবকের। তার পরে মহিলাকে একাধিক বার ধর্ষণ করা হয় এবং ঘনিষ্ঠ মুর্হূর্তের ছবি–ভিডিয়ো দেখিয়ে তাঁকে ব্ল্যাকমেল করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ।

সাত বছর আগে, ২০১৯–এ সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বন্ধুর সূত্রে অভিযুক্তের সঙ্গে আলাপ হয় মহিলার। পুলিশ সূত্রে খবর, মেটিয়াবুরুজে মহিলার শ্বশুরবাড়িতে যাতায়াত শুরু করেন যুবক। ধীরে ধীরে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। এর পরে বাড়ি খালি থাকলে বা মহিলার স্বামী বাড়িতে না থাকলেই সেখানে আসতে থাকেন ওই যুবক। বিভিন্ন সময়ে তাঁরা দিঘা, মন্দারমণি, ডায়মন্ড হারবার–সহ একাধিক জায়গায় ঘুরতেও গিয়েছেন। শহরের বিভিন্ন হোটেলেও যেতেন। মহিলার অভিযোগ, ওই যুবক একাধিক বার তাঁর সঙ্গে বিভিন্ন অছিলায় ঘনিষ্ঠ হন। তাঁকে ধর্ষণ করা হয়। সেই অত্যাচারের ছবি–ভিডিয়ো মোবাইলের ক্যামেরায় তুলে রেখেছিলেন অভিযুক্ত, এমনই দাবি মহিলার। বিভিন্ন সময়ে ওই ছবি–ভিডিয়ো দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করে তাঁকে অত্যাচার করা হয়। মহিলা প্রতিরোধের চেষ্টা করলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি–ভিডিয়াে ফাঁস করার হুমকি দেন অভিযুক্ত।

শেষ পর্যন্ত অত্যাচার আর সহ্য করতে না পেরে সম্প্রতি ওই মহিলা মেটিয়াবুরুজ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন । যা ‘জিরো এফআইআর’ হিসেবে রেকর্ড করা হয়। অভিযুক্ত যেহেতু বাঁশদ্রোণীর ব্রহ্মপুর এলাকার বাসিন্দা এবং সেখানেও মহিলাকে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার করা হয়েছিল—তাই জিরো এফআইআরটি বাঁশদ্রোণী থানায় স্থানান্তরিত করা হয়। বাঁশদ্রোণী থানা তদন্ত শুরু করছে। মহিলার গোপন জবানবন্দি রেকর্ড করা হবে। অভিযুক্তের খোঁজ করছে পুলিশ। বিভিন্ন হোটেলের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজও সংগ্রহ করার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

সম্প্রতি কলকাতায় সব থানায় মহিলা সহায়তা ডেস্ক চালু হয়েছে। বারুইপুরে ধর্ষণ–খুনের ঘটনার পরে কলকাতার পুলিশ কমিশনার জিরো এফআইআরে বিশেষ ভাবে জোর দিয়েছেন। যদি কোনও নির্যাতিতা অভিযোগ জানাতে আসেন তবে তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিছু দিন আগে টালা থানায় এক নাবালিকার তরফে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ করা হলে জিরো এফআইআরই করা হয়েছিল। পরে তদন্তভার পায় লেকটাউন থানা।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *