সিএবির বৈঠকে তুলকালাম, উঠল অনেক প্রশ্নও
এই সময়: উত্তপ্ত হলো সিএবির জরুরি বৈঠকের সভা। সে ভাবে কোনও সমাধানসূত্র না বেরিয়ে এলেও শাসক এবং বিরোধী গোষ্ঠীর মধ্যে ফারাক আরও প্রকট হলো।বুধবার সভার ভিতরে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় যেমন হয়েছে, তেমনই সিএবির ভাইস প্রেসিডেন্ট নিশীথ (অনু) রঞ্জন দত্ত–র আচরণ নিয়েও প্রশ্ন উঠল। চিৎকার করে টেবিল চাপড়ে উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। এই প্রথম সিএবির কোনও সভায় রাজ্য সরকারের ক্রীড়া দপ্তরের সচিব পর্যায়ের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। তিনি এসেছিলেন সিএবির আমন্ত্রণে। এই ঘটনা বিরল।
আপাতত যা ঠিক হয়েছে, যুগ্ম সচিব মদন ঘোষের জায়গায় কাউকে আনা হচ্ছে না। নির্বাচনও হচ্ছে না। সেপ্টেম্বরে বার্ষিক সাধারণ সভায় একেবারে যা হওয়ার হবে। ততদিন প্রেসিডেন্ট, সচিব মিলে যুগ্ম সচিবের কাজ চালাবেন। মদনের ঘর আপাতত থাকবে তালাবন্ধ।
৭০ পার করা সদস্যদের সিএবির পদাধিকারী হওয়া এবং সিএবিতে প্রতিনিধিত্ব করার অধিকার লোধা আইন মেনে হচ্ছে কি না, তা নিয়েই বিতর্ক। বুধবারের বৈঠকে সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় উপস্থিত সদস্যদের জানিয়েছেন সত্তরোর্ধ সদস্যদের সিএবিতে প্রতিনিধিত্ব করার মধ্যে অন্যায় নেই।
বিরোধী শিবিরের নেতা অভিষেক ডালমিয়া এবং তাঁর সহযোগিরা সভাতেই প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, এই আইন লোধা নিয়মের বিরোধী। যা নিয়ে তুমুল হইচই হয়।