কলকাতার ইসকনে রথযাত্রার সূচনায় মুখ্যমন্ত্রী
কলকাতার ইসকনে (Rathyatra 2026) ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা উৎসবের সূচনা উপলক্ষে বৃহস্পতিবার উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। বেলা ১২টার কিছু পরে তিনি কলকাতার ইসকন মন্দিরে পৌঁছন। সেখানে মন্দির…

কলকাতার ইসকনে (Rathyatra 2026) ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা উৎসবের সূচনা উপলক্ষে বৃহস্পতিবার উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। বেলা ১২টার কিছু পরে তিনি কলকাতার ইসকন মন্দিরে পৌঁছন। সেখানে মন্দির কর্তৃপক্ষ ও ইসকনের সন্ন্যাসীরা তাঁকে স্বাগত জানান। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে রথযাত্রার সূচনা হয়। মুখ্যমন্ত্রীও ভক্তদের সঙ্গে এই শুভ অনুষ্ঠানে অংশ নেন এবং ইসকন মন্দিরে বিশেষ পুজো অর্চনা করেন।
প্রতি বছরই ইসকনের উদ্যোগে রথযাত্রা উপলক্ষে হাজার হাজার ভক্তের সমাগম হয়। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। সকাল থেকেই মন্দির চত্বরে ভক্তদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। কীর্তন, ভজন এবং ধর্মীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে উৎসবের আবহ তৈরি হয়। ভগবান জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার রথ টানতে দূরদূরান্ত থেকে বহু মানুষ উপস্থিত হন।
মুখ্যমন্ত্রী মন্দিরে পৌঁছে প্রথমে ভগবান জগন্নাথের(Rathyatra 2026) দর্শন করেন। এরপর বিশেষ পুজোয় অংশ নিয়ে রাজ্যের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং সকলের মঙ্গল কামনা করেন। মন্দির প্রাঙ্গণে উপস্থিত ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতেও দেখা যায় তাঁকে। পরে ইসকনের সন্ন্যাসীদের সঙ্গে কিছু সময় সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং রথযাত্রার তাৎপর্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন।
ইসকনের রথযাত্রা (Rathyatra 2026) শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি সম্প্রীতি ও ঐক্যেরও প্রতীক। বিভিন্ন ধর্ম, ভাষা ও সম্প্রদায়ের মানুষ এই উৎসবে অংশ (Rathyatra 2026) নেন। ভক্তদের বিশ্বাস, রথের দড়ি টানলে জীবনে শুভ শক্তির আগমন ঘটে এবং সকল বাধা-বিপত্তি দূর হয়। সেই বিশ্বাসকে কেন্দ্র করেই প্রতি বছর এই উৎসবকে ঘিরে তৈরি হয় বিশেষ উৎসাহ।
