সেই সাপ জ্যান্ত… মানুষের পড়শি হয়েই আছে ‘ঝাঁকলাই’
হুইটেকার দিনচারেক এখানে ছিলেন। সে সময়ে তাঁকে সহযোগিতা করেছিলেন সর্প-গবেষক বিশাল সাঁতরা, হুমকুমার রানা ও ধীমান ভট্টাচার্য। বিশাল সাঁতরা বলেন, ‘এখানে মুলত দু’টি প্রজাতির কেউটে দেখেছি। একটি মাঠের কেউটে, একটি গ্রামের। যাদের মানুষের সঙ্গে সহাবস্থানে দেখা যায়, তারা গ্রামের কেউটে। মাঠের কেউটে বাকি সাধারণ সাপের মতোই। ভয় পেলে ফনা তোলে, ছোবল মারে।’ কিন্তু গ্রামের কেউটে আলাদা কেন? বিশালের ব্যাখ্যা, ‘যুগের পর যুগ মানুষের সঙ্গে থাকার ফলে দু’পক্ষেরই একটা স্বাচ্ছন্দ্য তৈরি হয়েছে। গৃহপালিত পশুদেরও তাই সাপগুলি ভয় পায় না। তাই ছোবলও মারে না।’ তাঁর সংযোজন, ‘এরা যে হেতু বিষ ছুড়তে পারে, তাই অনেক ক্ষেত্রে এদের বিষ-থলি ফাঁকা থাকে। তাই সেই অবস্থায় কামড়ালে মৃত্যু হয় না।’ তবে এই সাপ নিয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তাঁর কথায়, ‘গল্পকথা ছাড়া এই সহাবস্থানের উৎস সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানা যায়নি। এ ভাবে মানুষের সঙ্গে সহাবস্থান করে, এমন সাপ পৃথিবীতে সম্ভবত একমাত্র এখানেই রয়েছে।’