স্বপ্নভঙ্গের ক্ষোভের বিস্ফোরণ, ফ্রান্সের রাস্তায় জ্বলল আগুন, পুলিশের সঙ্গে তীব্র সংঘর্ষ
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিয়োতে দেখা যায়, রাত গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। কোথাও পুলিশের সঙ্গে সমর্থকদের ধস্তাধস্তি, কোথাও ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা, আবার কোথাও আগুন জ্বলছে রাস্তায়। সাইরেনের শব্দ, চিৎকার আর বিশৃঙ্খলায় কয়েকটি এলাকার পরিবেশ মুহূর্তের মধ্যে বদলে যায়। আতঙ্কে ছুটোছুটি করতে দেখা যায় সাধারণ মানুষকেও।
বিশ্বকাপ ফাইনাল থেকে মাত্র এক ধাপ দূরে এসে থেমে যাওয়ার যন্ত্রণা যেন অনেক সমর্থক মেনে নিতে পারেননি। চার বছর ধরে লালন করা স্বপ্ন, এমবাপেকে ঘিরে গড়ে ওঠা প্রত্যাশা এবং তৃতীয়বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার আশা এক সন্ধ্যাতেই ভেঙে যায়। সেই আঘাতই যেন রূপ নেয় ক্ষোভে। মাঠের পরাজয় শেষ হলেও ফ্রান্সের রাস্তায় তখনও চলছিল হতাশা আর আবেগের লড়াই। অনেকের কাছে এটি শুধু একটি ফুটবল ম্যাচের হার ছিল না, বরং ছিল কোটি মানুষের স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার বেদনার রাত।
স্পেনের কাছে হার, ক্ষোভের কেন্দ্র এমবাপে ও ফ্রান্সের ব্যর্থতা
ম্যাচ জুড়ে স্পেন ছিল অনেক বেশি গোছানো ও আত্মবিশ্বাসী। ফরাসি আক্রমণভাগকে প্রায় নিষ্ক্রিয় করে রাখে তারা। এমবাপের মতো তারকাও বড় কোনও প্রভাব ফেলতে পারেননি। ফলে ম্যাচের পর সমর্থকদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে ফ্রান্সের নিষ্প্রভ আক্রমণ, মাঝমাঠের ব্যর্থতা এবং প্রথমার্ধে দেওয়া সেই পেনাল্টি। অনেকেই মনে করছেন, সেখান থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি স্পেনের হাতে চলে যায়।