কাছে গিয়েও অধরা ডিলিমিটেশন! NDA র চালে বাড়া ভাতে ছাই সুপ্রিয়ার
নয়াদিল্লি: কেন্দ্রের প্রস্তাবিত ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা তুঙ্গে (Supriya Sule)উঠেছে। এনসিপি (এসপি) নেত্রী ও সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দেশের প্রতিটি…
নয়াদিল্লি: কেন্দ্রের প্রস্তাবিত ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা তুঙ্গে (Supriya Sule)উঠেছে। এনসিপি (এসপি) নেত্রী ও সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দেশের প্রতিটি রাজ্যে লোকসভার আসন সংখ্যা ৫০ শতাংশ বাড়ানোর গ্যারান্টি না থাকলে তাঁর দল এই বিলকে সমর্থন করবে না। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেছেন, এই ফর্মুলা অনুসরণ করলে মহারাষ্ট্রের বর্তমান ৪৮টি আসন বেড়ে ৭২টি হবে।
সুপ্রিয়া সুলে অবশ্য জল্পনা-কল্পনাকে “চায়ের কাপে তুফান” বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, সংসদের বাদল অধিবেশনে বিলটি পেশ হওয়ার পরই দল খুঁটিয়ে দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। “এখনই কোনো অফিসিয়াল সিদ্ধান্ত হয়নি। সবকিছু বিল দেখার পরই জানা যাবে,” বলেন তিনি। তবে তাঁর এই শর্তসাপেক্ষ মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার ঝড় তুলেছে।এনডিএ-তে যোগদানের জল্পনা একেবারে খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিয়া সুলে।
আরও দেখুনঃ বেলাগাম দখল রেলের জমি! কলকাতা-মুম্বই সহ হাতছাড়া ৪২টি নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামের সমান জমি
শরদ পওয়ারের নেতৃত্বাধীন এনসিপি (এসপি) বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটে যোগ দেবে না এবং বিরোধী মহাবিকাশ আঘাড়ি (এমভিএ) জোটেই থাকবে বলে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন। এই ঘোষণায় মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে স্বস্তি ফিরেছে এমভিএ শিবিরে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে শরদ পওয়ারের দল ৮টি আসনে জয়লাভ করেছিল। এই ৮ জন সাংসদের সমর্থন বর্তমানে বেশ মূল্যবান হয়ে উঠেছে।
কারণ সংবিধান সংশোধনী বিল পাসের জন্য লোকসভা ও রাজ্যসভা উভয় ক্ষেত্রেই দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন। বিজেপি তাই আঞ্চলিক দলগুলির সমর্থন পেতে তৎপর হয়েছে। সুপ্রিয়া সুলের মতো নেত্রীদের শর্ত জানিয়ে দেওয়ায় কেন্দ্রের কৌশল নতুন করে পরীক্ষিত হচ্ছে।প্রস্তাবিত বিলের মূল লক্ষ্য হল ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগেই ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা।
বর্তমানে লোকসভায় ৫৪৩টি আসন রয়েছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুসারে এটি বাড়িয়ে প্রায় ৮৫০টি করা হতে পারে। জনসংখ্যার অনুপাতে আসন বণ্টনের এই প্রক্রিয়ায় দক্ষিণের রাজ্যগুলির সঙ্গে উত্তরের রাজ্যগুলির মধ্যে ভারসাম্য নিয়ে বিতর্ক চলছে। সুপ্রিয়া সুলে তাই প্রতিটি রাজ্যকে সমান অনুপাতে (৫০ শতাংশ) আসন বৃদ্ধির দাবি তুলেছেন, যাতে কোনো রাজ্য বঞ্চিত না হয়।
আরও দেখুনঃ ছেলের কোম্পানির ব্যাঙ্ক ঋণ ১,৬০০ কোটি টাকা-ইথানলে শেয়ার ১%! স্বচ্ছতা প্রমানে বদ্ধপরিকর গড়করি