Abhishek Banerjee Voice Sample: শেষ পর্যন্ত দিতেই হল কণ্ঠের নমুনা, কীভাবে হল অভিষেকের ভয়েস স্যাম্পেলের রেকর্ডিং? | Ultimately, the voice sample had to be provided, how was the recording of Abhishek’s voice sample carried out
চাপ বাড়ছে অভিষেকের Image Credit: Tv9 Bangla GFX
কলকাতা: প্যাঁচে অভিষেক! হাইকোর্টের চাপে শেষ পর্যন্ত দিতেই হল কণ্ঠের নমুনা। বিধাননগর আদালতে দেওয়া ৫ মিনিটের রেকর্ডিংয়েই লুকিয়ে অভিষেকের ভাগ্য। কারণ যদি কণ্ঠস্বরের নমুনা মিলে যায় তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে যে উস্কানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে তা আরও স্পষ্টভাবে সামনে চলে আসবে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।
সূত্রের খবর, এক পাতার স্ক্রিপ্ট পড়ানো হয়েছে অভিষেককে দিয়ে। ওই এক পাতার স্ক্রিপ্ট দু’বার পড়েছেন অভিষেক। একবার জোরে, একবার আস্তে। যে নমুনা নেওয়া হয়েছে সেটা স্টোর হয়েছে একটি মেমোরি কার্ডে। তাই যাবে শেষ পর্যন্ত যাবে ফরেন্সিক প্রক্রিয়ায়। এখন দেখার রিপোর্টে কী আসে।
এদিকে সুপ্রিম কোর্টের নিয়ম অনুযায়ী হুবহু স্পিচ পড়ানো যায় না , তাই ডিজে বাজানো মন্তব্যের কিছু শব্দ উল্লেখ করে বানানো হয়েছিল স্ক্রিপ্ট। পাশাপাশি কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের প্রক্রিয়ার ভিডিয়ো রেকর্ডিংও হয়েছে। অভিষেকের আসা থেকে নমুনা দেওয়া, পুরোটাই রেকর্ড করা হয়েছে। । পরবর্তীতে যাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা তাঁর আইনজীবী যাতে কোনওভাবেই বলতে না পারেন তিনি নির্দিষ্ট কোনও শব্দ বলেননি বা জোর করা হয়েছে, সে কারণেই এই পদক্ষেপ বলে জানা যাচ্ছে। গোটা প্রক্রিয়ার পর সইও করতে হয়েছে অভিষেককে।
এই মামলায় মূল অভিযোগকারী রাজীব সরকার বলছেন, “সিআইডি যা কাজ করেছেন তাতে আমি খুশি। কিন্তু এই কেসেই একটা লিস্ট আমরা খুঁজছি। অভিষেক মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলেছেন জেলা, ব্লক ও ওয়ার্ড ভিত্তিক নামের তালিকা রয়েছে। তাতে প্রায় ১৭ হাজারের বেশি মানুষের নাম ছিল। তৃণমূল যদি ২০২৬ সালে ভোটে জিতত তাহলে তাঁদের উপর অত্যাচার নেমে আসতো। ওপেন স্টেজে অভিষেক বলেছেন। আমরা সেই লিস্টটা খুঁজছি।”