'সরকার উদাসীন', অনশন তোলার কাতর আর্জি মহুয়া-উদ্ধবের: সংকটে সোনম - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘সরকার উদাসীন’, অনশন তোলার কাতর আর্জি মহুয়া-উদ্ধবের: সংকটে সোনম

Spread the love

নয়াদিল্লি: টানা ১৭ দিন ধরে চলছে জলবায়ু কর্মী সোনম ওয়াংচুকের অনশন। অনশনের জেরে ক্রমশ শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে তাঁর। মঙ্গলবার ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা…

নয়াদিল্লি: টানা ১৭ দিন ধরে চলছে জলবায়ু কর্মী সোনম ওয়াংচুকের অনশন। অনশনের জেরে ক্রমশ শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে তাঁর। মঙ্গলবার ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দপকে জানিয়েছেন, সোনমের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাঁর শরীরে মাংসপেশির ভর কমছে এবং তিনি প্রচণ্ড শারীরিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। (sonam wangchuk hunger strike health update protest)

অভিজিৎ দপকে জানিয়েছেন, অনশন শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত সোনমের শরীরের ওজন ৮.৫ কেজি কমেছে। মঙ্গলবার তাঁর রক্তচাপ ছিল ১০৯/৭০ mmHg। এর আগের দিন তাঁর রক্তচাপ ছিল ১০৭/৭০ mmHg এবং গ্লুকোজের মাত্রা কমে দাঁড়িয়েছিল ৬৭-এ। অভিজিৎ জানিয়েছেন, তিনি নিজে সোনমকে অনশন তুলে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু প্রত্যুত্তরে সোনম শান্তভাবে বলেছেন, “আমাকে অনশন শেষ করার কথা বলো না। সরকারকে জিজ্ঞেস করো, তারা কেন একটি আলোচনার টেবিলেও বসছে না।”

রাজনৈতিক মহলের উদ্বেগ

সোনমের এই অনশন ও আন্দোলনের সমর্থনে এগিয়ে এসেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র সোনমকে অনশন তুলে নেওয়ার আর্জি জানিয়ে বলেছেন, “সোনম স্যার, আপনার এই লড়াই দেশের যুবসমাজকে একসুতোয় বেঁধেছে। কিন্তু সরকার আপনার জীবনের তোয়াক্কা না করলেও, আমাদের কাছে আপনার জীবন অত্যন্ত মূল্যবান। দয়া করে অনশন তুলে নিন।”

এছাড়া, আম আদমি পার্টির নেত্রী অতিশী এবং সিপিআই(এম) সাংসদ অমরা রাম সহ একাধিক বিরোধী নেতা অনশনস্থলে গিয়ে সংহতি জানিয়েছেন। মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরেও সোনমের শারীরিক অবনতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি ফোন করে সোনমকে অনশন ভাঙার অনুরোধ করেছেন এবং সিজেপি-র আন্দোলনের প্রতি শিবসেনার সমর্থন ঘোষণা করেছেন।

কী দাবি আন্দোলনকারীদের?

২০ জুন থেকে সিজেপি-র এই প্রতিবাদ শুরু হয় এবং ২৮ জুন থেকে সোনম ওয়াংচুক অনির্দিষ্টকালের অনশনে বসেন। তাঁদের প্রধান দাবিগুলি হল-

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা। পরীক্ষায় অনিয়মের জেরে আত্মঘাতী হওয়া পড়ুয়াদের পরিবারকে ১ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ।

আগামী ২০ জুলাই, অর্থাৎ সংসদের বাদল অধিবেশনের প্রথম দিন, যন্তরমন্তর থেকে সংসদ পর্যন্ত একটি শান্তিপূর্ণ পদযাত্রার ডাক দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। সরকারের কাছে অভিজিৎ দপকে আবেদন জানিয়েছেন, বিষয়টিকে যেন ‘অহংকারের লড়াই’ হিসেবে না দেখে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে বিবেচনা করা হয়।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *