ছাঁটাইয়ের আশঙ্কায় বিক্ষোভে চিকিৎসকরা, শিকেয় স্বাস্থ্য পরিষেবা - 24 Ghanta Bangla News
Home

ছাঁটাইয়ের আশঙ্কায় বিক্ষোভে চিকিৎসকরা, শিকেয় স্বাস্থ্য পরিষেবা

Spread the love

এই সময়, আসানসোল: চাকরি হারানোর আতঙ্কে পরিষেবা বন্ধ রেখে সোমবার বিক্ষোভ অবস্থান করলেন আসানসোলের ইএসআই হাসপাতালের আংশিক সময়ের চিকিৎসক, ঠিকা স্বাস্থ্যকর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, এই হাসপাতালে মেডিক্যাল কলেজ তৈরি হওয়ার পরে তাঁদের অন্যত্র সরিয়ে দেওয়া হবে অথবা ছাঁটাই করা হবে বলে কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে। এরই প্রতিবাদে এ দিনের বিক্ষোভ। করেছেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করতে চাননি হাসপাতাল সুপার অতনু ভদ্র।

সোমবার সকাল ১০টার পরে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেন আংশিক সময়ের চিকিৎসক ও ঠিকা স্বাস্থ্যকর্মীরা। বিক্ষোভকারীদের পক্ষে চিকিৎসক অভিজিৎ মালাকার বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, এই হাসপাতালকে মেডিক্যাল কলেজে উন্নীত করার পরে হয় আমাদের অন্যত্র পাঠানো হবে অথবা ছাঁটাই করা হবে।’ তিনি জানান, হাসপাতালে এই মুহূর্তে ৪৪ জন আংশিক সময়ের চিকিৎসক রয়েছেন, যাঁরা ন্যূনতম ১৫ বছর ধরে স্বল্প বেতনে ঠিকা প্রথায় কাজ করছেন। চাকরি দেওয়ার সময়ে তাঁদের সব সময়ের জন্য এখানেই রেখে দেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। এখন হঠাৎ করে তাঁদেরই চাকরি চলে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ শর্মিষ্ঠা সরকার অভিযোগের সুরে বলেন, ‘প্রায় ১৫ বছর আগে চাকরি পেয়েছি। এখন হঠাৎ করেই আমাদের ভবিষ্যৎ সরু সুতোর উপরে ঝুলিয়ে দেওয়া হলে।’ তাঁর অভিযোগ, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তাঁর ভবিষ্যৎ কী হবে, তা জানিয়ে দেওয়া হবে। হাসপাতালের ঠিকা স্বাস্থ্যকর্মী রূপের দুবে জানান, এই হাসপাতালে শতাধিক ঠিকা স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন। ২০১৭ থেকে তাঁরা মাত্র ১৫ হাজার টাকা বেতনে কাজ করছেন। তাঁদেরও অন্যত্র পাঠানো হতে পারে অথবা চাকরি থেকে ছাঁটাই করা হতে পারে। রূপেশ বলছেন, ‘এত দিন তবুও চলে যাচ্ছিল। এর পরে কী হবে!’ বিক্ষোভকারীরা এই হাসপাতালেই থেকে যাওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ দেখান।

বিক্ষোভকারীরা এ দিন হাসপাতালের সুপারের ঘরের সামনে গিয়ে ক্ষোভ জানাতে থাকেন। বিক্ষোভের জেরে স্বাভাবিক স্বাস্থ্য পরিষেবা কিছুটা হলেও ব্যাহত হয়েছে বলে রোগী ও তাঁদের পরিজনরা জানিয়েছেন। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহিলা বলেন, ‘নিজের সন্তানকে দেখাতে এসেছিলামা। হাতে টিকিট নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছি, অথচ কোনো চিকিৎসক নেই। তাই ফিরে যেতে হচ্ছে।’

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *