Supreme Court: 'কোনও রিট পিটিশনেরই মেরিট নেই', মাদ্রাসায় শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মী নিয়োগ নিয়ে বড় রায় সুপ্রিম কোর্টের | Supreme Court Dismisses Pleas Challenging West Bengal Madrasa Teacher Recruitment - 24 Ghanta Bangla News
Home

Supreme Court: ‘কোনও রিট পিটিশনেরই মেরিট নেই’, মাদ্রাসায় শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মী নিয়োগ নিয়ে বড় রায় সুপ্রিম কোর্টের | Supreme Court Dismisses Pleas Challenging West Bengal Madrasa Teacher Recruitment

Spread the love

কলকাতা: মাদ্রাসায় (Madrasa) শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মী নিয়োগ (Madrasa Teacher Recruitment) নিয়ে বড় রায় সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। রাজ্যের অনুমোদিত মাদ্রাসার শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীদের নিয়োগের বৈধতা নিয়ে মামলা হয় শীর্ষ আদালতে। সেই মামলাই এবার খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত। কোনও রিট পিটিশনেরই কোনও মেরিট নেই। সব আবেদন খারিজ করে পর্যবেক্ষণ বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি এজি মাসিহ-র বেঞ্চের।

পর্যবেক্ষণে কী বললেন বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ?

২০১৫ সাল থেকে ২০২০ সালের মধ্যে নিয়োগ বাতিলের সিদ্ধান্ত এবং রাজ্য সরকারের অনুদানভিত্তিক (Grant-in-Aid) প্রকল্পের আওতায় বেতন প্রদানের দাবি প্রত্যাখ্যান করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ৩৬১ জন মামলাকারী। তাঁদের মধ্যে থেকে ১৩ জনকে বেছে নেওয়া হয়। শুনানি চলাকালীন সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, বাছাই করা ১৩ টি আবেদন সম্পর্কে যদি আদালত সন্তুষ্ট হয় তাহলে বাকি মামলাগুলি খতিয়ে দেখা হবে। কিন্তু, সোমবার বিচারপত্তি দত্ত জানান, এই ১৩ আবেদনকারীর কেউই আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। তাই শুধু এই ১৩ আবেদনই নয়, সমস্ত আবেদনই খারিজ করে দেওয়া হচ্ছে।

বিস্তারিত মামলা 

বিতর্কের সূত্রপাত পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন অ্যাক্ট, ২০০৮-কে কেন্দ্র করে। এই অ্যাক্টের মাধ্যমে স্বীকৃত মাদ্রাসাগুলিতে শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করার জন্য একটি আইনানুগ (Statutory) কমিশন গঠন করা হয়। ২০১৪ সালে কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ অ্যাক্টকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে। সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়কে বৈধতা দেয় ডিভিশন বেঞ্চও। মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে।

২০১৬ সালে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়ের উপর স্থগিতাদেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এরপর ২০২০ সালে সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা হাইকোর্টের রায় খারিজ করে ২০০৮ এর ওই আইনকে বৈধ বলে ঘোষণা করে।

কিন্তু, ২০১৫ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত এই মামলা শীর্ষ আদালতে বিচারাধীন থাকার সময় মাদ্রাসাগুলিতে লাগাতার শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ হয়। এই সময়কালের নিয়োগ বৈধ নয় বলে ফের মামলা হয় সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৩ সালে একটি কমিটি গঠন করে সুপ্রিম কোর্ট। ২০১৫ সালে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ থেকে ২০২০ সালে সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত রায় দেওয়া পর্যন্ত মাদ্রাসায় যে শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মী নিয়োগ হয়েছে তা বৈধ কিনা তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়। একইসঙ্গে কর্মরত শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মচারীদের বেতন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় রাজ্যকে।

২০২৩ সালে সুপ্রিম কোর্টের গঠিত কমিটি রিপোর্টে জানায়, সংশ্লিষ্ট সময়ের নিয়োগ বৈধ নয়। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে এতদিন শুনানি চলছিল। মোট ৩৬১ জন আবেদনকারী ৪০টি রিট পিটিশন ফাইল করেছিলেন। এর মধ্যে ১৩জন আবেদনকারীর নিয়োগের বৈধতা খতিয়ে দেখা শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট। জানানো হয়, যদি এই ১৩জনের নিয়োগ সংক্রান্ত সওয়ালে সুপ্রিম কোর্ট সন্তুষ্ট হয়, তবে বাকি ৩৪৮ জনের আবেদন খতিয়ে দেখা হবে। আজ সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, ১৩ জুনের নিয়োগের বিষয় সন্তুষ্ট নয় সুপ্রিম কোর্ট। স্বাভাবিকভাবেই বাকিদের আবেদন খতিয়ে দেখার প্রয়োজন নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *