Aroop Biswas: সুরুচি সঙ্ঘ থেকে ‘ছেঁটে’ ফেলা হল ‘বিশ্বাস’ ব্রাদার্সকে, অরূপ-স্বরূপের জায়গায় নতুন কমিটিতে কারা? | Aroop and Swarup Biswas Dropped from Suruchi Sangha Committee, MLA Sourav Sikdar Named as Secretary
অরূপ বিশ্বাস ও স্বরূপ বিশ্বাসImage Credit: Tv9 Bangla
কলকাতা: নিজেদের ক্লাবেই বহিরাগত বিশ্বাস ব্রাদার্স। সুরুচি সঙ্ঘ থেকে ছেঁটে ফেলা হল অরূপ-স্বরূপ বিশ্বাসকে (Aroop Biswas-Swarup Biswas)। ইতিমধ্যেই নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে ঠাঁই পেলেন না দুই ভাই। এমনকী তাঁর ঘনিষ্ঠদেরও জায়গা হল না কমিটিতে (Suruchi Sangha Committee)। নতুন করে সাজানো হয়েছে ক্লাবের কমিটি। কমিটিতে সম্পাদক পদে বসানো হয়েছে বিধায়ক সৌরভ শিকদারকে (Sourav Sikder)।
কলকাতার বড় পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম নিউ আলিপুরের সুরুচি সঙ্ঘের পুজো। আর এই পুজোর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে নাম জড়িয়ে রয়েছে অরূপ বিশ্বাসের। এমনকী, একটা সময় সুরুচি অরূপ বিশ্বাসেরই পুজো হয়ে ওঠে। পুজোর অংশ ছিলেন ভাই স্বরূপও। তবে, পালাবদলের বাংলায় সুরুচির পুজো আদৌ হবে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। জেলে গিয়েছেন স্বরূপ। বারবার থানার চক্কর কাটতে হচ্ছে অরূপকে। দিন কয়েক আগে সুরুচির চারটি প্লট খালি করার নোটিস গিয়েছিল সুরুচি সঙ্ঘে। সব মিলিয়ে পুজো নিয়ে একটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল।
নতুন কমিটিতে কারা?
এবার অরূপ ও স্বরূপকে কমিটি থেকেই বাদ দিয়ে দিল সুরুচি সংঘ। নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্পাদক পদে বিধায়ক সৌরভ শিকদার। সহ-সভাপতি পদে করা হয়েছএ দক্ষিণ কলকাতা জেলা বিজেপির সভাপতি অনুপম ভট্টাচার্য। অরূপ বিশ্বাস এবং স্বরূপ বিশ্বাস দুই ভাই ও তাঁদের ঘনিষ্ঠ কাউকেই কমিটিতে স্থান দেওয়া হল না।
এলআইসির নোটিস
জানা গিয়েছে, স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতার হতেই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিল এলআইসি। সেই অভিযোগের পরই এলআইসির আইনজীবীর তরফে নোটিস পাঠানো হয় সম্প্রতি। নোটিসে চারটি প্লট খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই চারটি প্লট অর্থাৎ প্রায় ২২ কাঠা জমি। ওই জমিতে বেআইনি নির্মাণ করা হয়েছে বলে নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছিল। আগামী ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে প্লট খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্লট খালি না করা হলে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও নোটিসে বলা হয়েছে।
এদিকে, জেলেই রয়েছেন স্বরূপ বিশ্বাস। শিবির বদলে ফেলেছেন অরূপ। ঋতব্রত শিবিরে গিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্টের পদও পেয়েছেন। আবার অরূপের ঘাড়ে ঝুলছে মেসি মামলা। তার জন্য বারবার থানার চক্কর কাটতে হচ্ছে। মনে করা হচ্ছে, এই অবস্থায় বিশ্বাস ভাইদের নিজেদের পুজোর সঙ্গে আর রাখতে চাইছে না সুরুচি ক্লাব কর্তৃপক্ষ।