সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র-হাসপাতালে দৈনিক ডায়েটের খরচ ৫৬.৬৪ টাকা থেকে বেড়ে ১১০ টাকা
কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ সরকার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির (Hospital Diet)প্রতি বড় ধরনের দায়িত্বশীল পদক্ষেপ নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার সরকারি হাসপাতাল ও বিদ্যালয়গুলোতে…
কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ সরকার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির (Hospital Diet)প্রতি বড় ধরনের দায়িত্বশীল পদক্ষেপ নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার সরকারি হাসপাতাল ও বিদ্যালয়গুলোতে খাবারের মান ও পুষ্টিগুণ উন্নয়নে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই ঘোষণা রাজ্যের প্রান্তিক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের জন্য দৈনিক ডায়েটের খরচ এখন থেকে ৫৬.৬৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১০ টাকা করা হয়েছে। আগামী ১ আগস্ট ২০২৬ থেকে এই নতুন হার কার্যকর হবে। ফলে হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা এখন আরও উন্নত মানের সুষম ও পুষ্টিকর খাবার পাবেন। দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের খাবারের মান নিয়ে অভিযোগ ছিল।
আরও দেখুনঃ
এই সিদ্ধান্ত সেই সমস্যার অনেকাংশে সমাধান করবে বলে আশা করা হচ্ছে। পুষ্টিকর খাবার রোগীদের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের জন্যও খুশির খবর। পিএম পোষণ প্রকল্পের আওতায় প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের ছাত্র-ছাত্রীদের দৈনিক রান্নার খরচ ৬.৭৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা করা হয়েছে। বাড়তি ৩.২২ টাকা রাজ্য সরকার বহন করবে।
এই পরিবর্তনও ১ আগস্ট ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। ফলে স্কুলে মিড-ডে মিলের মান উন্নত হবে এবং শিশুরা আরও পুষ্টিকর খাবার পাবে। আগামী প্রজন্মের স্বাস্থ্য ও মেধা বিকাশের জন্য এটি একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকরা।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “আমাদের সরকারের মূল লক্ষ্য সাধারণ ও প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
আরও দেখুনঃ
রাজ্যের প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির খেয়াল রাখা আমাদের অগ্রাধিকার। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধির কারণে খাদ্যের গুণমান বজায় রাখা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। শেষবার ২০১৭ সালে এই হার সংশোধন করা হয়েছিল। প্রায় ৯ বছর পর আমরা দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র দু’মাসের মধ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
এই সিদ্ধান্তকে জনমুখী ও বাস্তবসম্মত বলে স্বাগত জানিয়েছেন বিভিন্ন মহল। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের পরিবারের সদস্যরা বলছেন, “আগে খাবারের পরিমাণ ও মান দুটোই কম ছিল। এখন উন্নত খাবার পেলে রোগীদের সুস্থ হতে সুবিধা হবে।”
আরও দেখুনঃ