অ্যানিম্যাল, ফকল্যান্ড যুদ্ধ ও সেই হ্যান্ড অফ গড
গোটা দেশকে তাতিয়ে দিয়েছিল মারাদোনার বিখ্যাত বক্তব্য। বলেছিলেন, ‘ঈশ্বরের হাতের গোলটি আসলে ফকল্যান্ড যুদ্ধে মৃত আর্জেন্তিনীয় সেনাদের হয়ে বদলা।’ গোটা দেশ মেতে উঠেছিল, বদলার প্রসঙ্গে।
কিন্তু মারাদোনার ওই ’৮৬ নয়, আর্জেন্তিনা ও ইংল্যান্ডের প্রথম মারকাটারি ম্যাচ বিশ্বকাপে প্রথম দেখা গিয়েছিল তার ২০ বছর আগে। সেটিও ছিল কোয়ার্টার ফাইনাল। ১৯৬৬ বিশ্বকাপে ওয়েম্বলিতে ৯০ হাজারেরও বেশি দর্শক দেখেছিল ইংল্যান্ডের কষ্টার্জিত ১–০ জয়। ৭৮ মিনিটে জিওফ হার্স্টের একমাত্র গোলে আর্জেন্তিনাকে হারিয়ে সেমিফাইনালে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। ওই গোলটি অফসাইড ছিল বলে, বরাবর অভিযোগ করে এসেছে আর্জেন্তিনা। কিন্তু তার চেয়েও বড় ঘটনা ঘটেছিল ম্যাচের প্রথমার্ধে। আর্জেন্তিনার ক্যাপ্টেন আন্তনিও রাতিনকে মাঠ থেকে বের করে দিয়েছিলেন জার্মান রেফারি রুডলফ ক্রেটলিন। সেই সময়ে কার্ড চালু হয়নি ফুটবলে। ক্রেটলিন ও রাতিন প্রায় আট–ন’মিনিট তর্ক করেছিলেন। কিন্তু ক্রেটলিন স্প্যানিশ জানতেন না, রাতিনও জানতেন না জার্মান। রাতিনকে যে মাঠ ছেড়ে বেরোতে হবে, সেটা বুঝতেই চলে গিয়েছিল ওই ন’মিনিট।